বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দুর্বৃত্তের এসিড নিক্ষেপে ঝলসে গেছে যুবক।প্রচন্ড কুয়াশা ও শীতের সকালে কাজে ব্যাস্ত যশোর মনিরামপুরের চাষীরাকোম্পানীগঞ্জে কারিগরি কলেজের সম্মুখে দুটো মোটর বাইকের সংঘর্ষ।বিশ্বনাথে পুকুরে ডুবে প্রতিবন্ধী এক যুবতীর মৃত্যুনাসিরনগরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা পাঠদান কার্যক্রম উদ্বোধনবিশ্বনাথে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সবজি-ফসলের ক্ষতির আশঙ্কারুপিয়া বেগমের আকুতি ছাতকে রাব্বি হত্যা মামলা আসামীদের ফাঁসির দাবীতে সংবাদ সম্মেলনসিলেটে শিক্ষার্থীরা গণপরিবহনে চলাচলে হাফ ভাড়া দিতে পারবেনম‌হেশখালী‌তে মৃত ম‌হিষের মাংস বিক্রয়কা‌লে পিতা পুত্র আটকবিশ্বনাথে এসআই বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

বিশ্বনাথে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে পুলিশ

হাওড় বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ থেকে : সিলেটের বিশ্বনাথে দুই চোরসহ একটি গরু আটক করে বিপাকে পড়েছে

থানা পুলিশ।

জানা গেছে, চোর দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হলেও, গরুটির মালিক না পাওয়ায় নিজ খরচে খাবার দিতে হচ্ছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে।

রাখা হয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের জিম্মায়।

পুলিশ সূত্র জানায়, গেল ১ আগস্ট রাত ৪টায় একটি প্রাইভেটকারে গরুটি নিয়ে যাচ্ছিল চোরেরা।

উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের গোলচন্দ বাজার থেকে ভুরকি বাজারের দিকে যাচ্ছিল তারা। বাজারে প্রবেশ করে সমসু মিয়ার দোকানের সামনে তাদের গতিরোধ করে স্থানীয় জনতা।

তখন গাড়ি থেকে নেমে দৌড় দেয় তিন-চারজন। গরু ও প্রাইভেটকারসহ ধরা পড়ে দুইজন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে তাদের। তারা হলেন, উপজেলার উদয়পুর গ্রামের ছমছু মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৩৫) ও বিয়ানীবাজার থানার চরিয়া দক্ষিণ (মেওয়া) গ্রামের মৃত মঈন উদ্দিনের ছেলে আমীর উদ্দিন হীরা।

জব্দ করা হয় একটি লাল রঙের (চাঁনকপালী) গবাদি পশু, মূল্য আনুমানিক ২০ হাজার টাকা। সিলভার রঙের প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্টো গ-২৭-০৫১৯) ও নগদ ৯৩ হাজার ৯০ টাকা।

পরদিন বিশ্বনাথ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোপেশ চন্দ্র দাস তাদের বিরুদ্ধে গরু চুরির অভিযোগ এনে মামলা (নাম্বার-০৩, তাং-০২-০৮-২০২১ইং)

এরপর আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে, তাদের পলাতক সহযোগী উপজেলার উদয়পুর গ্রামের ওয়াছুব উল্লাহর ছেলে মো. আলী (৩৫), বিয়ানীবাজার থানার চরিয়া দক্ষিণ (মেওয়া) গ্রামের আলমাছ মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া (২৫), ও খাড়াবড়া গ্রামের জসনু মিয়ার (৩২) নাম প্রকাশ করলেও গবাদি পশুর মালিকের পরিচয় জানাতে পারেনি কেউ।

মালিক না পাওয়ায় ওই দিন থেকেই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের জিম্মায় রেখে নিজ পকেটের টাকায় খাবার দিচ্ছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্ত উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী মোয়াজ্জেম হোসেন।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী মোয়াজ্জেম হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মালিক খুঁজে না পাওয়ায় নিজেকেই উদ্ধার হওয়া গবাদি পশুর খাবারের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।

মালিক খুঁজতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ছবি দেখে কেউ শনাক্ত করলে, প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ বিশ্বনাথ থানায় দ্রুত যোগাযোগ করবেন বলে তিনি জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281