রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির তৃতীয় সম্মেলনে হাওর বিষয়ক মন্ত্রনালয় গঠনের দাবি।দূর্নীতির বিষবৃক্ষে জাতি দিশেহারা, মুখ বন্ধের শেষ কথায় ?সুনামগঞ্জের কুস্তি খেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনহজ্জের অন্তরালে অবৈধ ভাবে একাদিক বিয়ে করছেন আয়েশাছাতক-দোয়ারাবাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পুষ্টি গুণ বিস্কুট বিতরণ।শান্তিগঞ্জে নতুন করে যাত্রা শুরু করলো রুরাল ডেভেলপমেন্ট হেল্থ সেন্টার এন্ড ডায়াগনস্টিক।বিশ্বম্ভরপুর থানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্ণার ও লাইব্রেরির উদ্ভোধন। ছাতকে শিক্ষানুরাগী নুর মোহাম্মদ ময়না মিয়া’র ইন্তেকাল।হাওড়ের নেই মাছ : ঋনের চাপে দিশেহারা জেলে।বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড.মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি অনলাইন ফোরামের উপদেষ্টা মনোনীত হলেন উম্মে ফারজানা ডায়না।

হাওড়ের নেই মাছ : ঋনের চাপে দিশেহারা জেলে।

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সকল হাওড়ে টইটুম্বুর করলেও শাল্লা উপজেলার হাওড়গুলোতে মাছের আকাল দেখা দিয়েছে। ফলে জেলে সম্প্রদায়ের লোকেরা জীবিকা নির্বাহ করতে দিনাতিপাত করছে। হাওড়াঞ্চলে বর্ষা মাসে মাছ ধরার উপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ ও জেলে সম্প্রদায়ের লোকেরা।

শুধু তাই নয় জেলেদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে মাছ ধরার জাল ও নৌকা ক্রয় করেছেন। তাদের আশা, হাওরে মাছ ধরে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে ঋণের টাকা পরিশোধ করবে। কিন্তু ঋন নিয়েও এখন পড়েছে বিপদে। একদিকে হাওড়ে মাছ নেই অন্য দিকে ঋনের চাপে দিশেহারা তারা। অনেকেই আবার জীবন-জীবিকার তাগিদে পরিবার-পরিজন নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছেন রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে।

উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের গ্রামের মৎস্যজীবী দিলীপ মাস্য দাস বলেন, ‘হাওড়ে মাছ ধরার আগে আমি ঢাকায় ছিলাম। ভাবছিলাম এবছর ভাল ফসল হয়েছে আর হাওড়ে মাছও হবে। তাই মাছ ধরার লাগি ঢাকা থেকে চলে আসছি। এখন এসে দেখি মহাবিপদে পড়েছি। মাছ ধরতে না পারায় পরিবার পরিজন নিয়ে খাওয়া থাকা নিয়েই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। একই গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী শিবু বিশ্বাস বলেন, ‘মাছের কারবার করতাম। বড় আশা কইরা ঋণ কইরা জেলেদের দাদন দিছিলাম মাছ কিনার আশায়। কিন্তু জেলেরা মাছ না পাওয়ায় ব্যবসা বন্ধ।

এদিকে অব্যবস্থাপনা, অবাধে মৎস্য আহরণ, প্রজনন মৌসুমে মা ও পোনামাছ নিধন ও মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ধীরে ধীরে হাওড়ে মাছের সংকট দেখা দিয়েছে। এখনো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ না নেওয়া হলে উপজেলার সবক’টি হাওর হুমকির মুখে পড়বে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাসুদ জামান বলেন, শাল্লা উপজেলা মাছের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু ব্যবস্থাপনার অভাবে হাওড়গুলোতে মাছের সংখ্যা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। একদিকে চলছে পোনা নিধন অন্যদিকে মাছের অভয়াশ্রমগুলোকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ধীরে ধীরে মাছের সংখ্যা কমে আসছে। তবে হাওরের মৎস্য রক্ষা করতে আমরা বিভিন্ন সময়ে হাওরে অভিযান চালিয়ে অনেক অবৈধ জাল জব্ধ করেছি। কারন এখন থেকে মৎস্য রক্ষা করতে না পারলে পরবর্তীতে মাছের কোনো বংশই থাকবে না।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা। © All rights reserved © 2018-2024 Haworbarta.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281