


মো. তাজিদুল ইসলাম : সুনামগঞ্জের ছাতকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তকিপুর ও গোবিন্দনগর দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশত লোকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে ছাতক ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর সদস্য ও ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের তকিপুর ও গোবিন্দনগর গ্রামের দুই যুবকের মধ্যে অজ্ঞাত বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বুধবার বিকেলে কলেজ গেইট এলাকায় তকিপুর গ্রামের জনৈক যুবককে ধাওয়া করে গোবিন্দনগর গ্রামের কয়েকজন যুবক ও কিশোর। কিছু সময়ের মধ্যে দুই গ্রামের লোকজন গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় সিলেট-সুনামগঞ্জ ও ছাতক সড়কে সব ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকা পড়ে বিভিন্ন ধরণের যানবাহনের যাত্রী সাধারণ। দিকবিদিক ছুটতে থাকে পথচারিরা। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সংবাদকর্মীরা সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। খবর দেওয়া হয় ছাতক থানা পুলিশ ও ছাতক ক্যাম্পের সেনাবাহিনীকে। তারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে পথচারিসহ উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশত লোকজন আহত হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অন্যাদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সংঘর্ষ চলাকসলে মোটর একটি সাইকেলসহ উভয় গ্রামের বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাত সাড়ে ৯টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর সদস্য ও থানা পুলিশ রয়েছে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

