মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিতপথচারী ও অসুস্থদের মাঝে টিম ছাতকের সেহরি বিতরণশান্তিগঞ্জে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ঈদ উপহার বিতরণ জামালগঞ্জে কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ডিমলায় তিস্তা চর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ : বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি।

পূর্ব সর্তকতা জারি করা ছাড়াই হঠাৎ তিস্তার দু’কুল প্লাবিত। কার্তিকের শুষ্ক মৌসুমে ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে আকাশের ভারী বৃষ্টিতে তিস্তায় পানি হুহু করে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে দেখা দিয়েছে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা।

এদিকে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে পশ্চিম ছাতনাই, পূর্ব ছাতনাই, খগা খড়িবাড়ী, টেপা খড়িবাড়ী, ঝুনাগাছ চাপানী, খালিশা চাপানী ও আংশিক গয়াবাড়ী ইউনিয়নে হাজার হাজার একর ধান ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে এবং বাঁধ ভেঙ্গে রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার (২০ অক্টোবর ) ভোর থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে তিস্তারাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় ঘরবাড়ি ছেড়ে পরিবার গুলো উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। কার্তিক মাসের শুষ্ক মৌসুমে হঠাৎ এমন বন্যা দেখেনি তিস্তাপারের চরবাসী। গতরাত থেকে বুঝে উঠার আগে ঘরবাড়ীগুলো হুহু করে পানি প্রবেশ করলে আতঙ্ক বিরাজ করে। বিকালে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫৩ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার। যা বিপদ সীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যারাজ রক্ষায় ৪৪টি গেট খুলে দেয়া হয়েছে। গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে তিস্তা শুকিয়ে জেগে উঠেছিল চর। হঠাৎ তিস্তার পানিতে সব ডুবে গিয়ে তিস্তা ফিরে পেয়েছে নতুন যৌবন।

এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আশফাউদৌলা প্রিন্স তিস্তা নদী ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে এই পরিস্থিতিতে ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে তারপরও পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। তিস্তা এলাকার মানুষদের লাল সংকেত জারি করা হয়েছে এবং নিরাপদে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী বন্যা এলাকা পরিদর্শন শেষে দূরগত মানুষদের জন্য ৪০ মেঃ টন চাউল ও ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান বলেন- নদীভাঙ্গা মানুষের জন্য শুকনো খাবার সহ গৃহহীন মানুষদের জন্য উচুঁ স্থানে তাবু টাঙ্গিয়া থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656