


আবু তাহের
দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের খাসিয়ামারা নদীর চলতি বছর ইজারা দেওয়া হয়,সেই ইজারা পাওয়ার পরপরই কিছু ব্যবসায়ীরা ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে যারাফলে নদীর দুই পাশের লিয়াকতগঞ্জ বাংলাবাজার, জিরারগাঁও, বক্তারপুর, ভাঙ্গা পাড়া, মাঠ গাঁও, ইদ্রিসপুর, নোয়াপাড়া, মিরপুরসহ প্রায় ২৪টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে।
এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতির আশংকা দেখা দিলে স্থানীয় যুব সমান ড্রেজার বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি তুলেন।
তথ্যসুত্রে জানা যায় তারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা দিলে ইজারাদারগন তাদের বিরুদ্ধে ২০লাখ টাকার চাদাবাজির মামলা করে হয়রানি করেন।এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার বাধা দিলেও ইজারাদার কর্ণপাত করছে না।
যার কারনে এলাকার মানুষ এবং ইজারাদারদের মধ্যে থমথমে পরিস্থিতি দেখা দিলে ২৫শে আগস্ট সোমবার বিকালে খাসিয়ামারা নদীতে অবৈধ ড্রেজার বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন দোয়ারাবাজার উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ।
এতে ড্রেজিং এর কারণে নদীর তীর ভাঙনের আশংকা রয়েছে এমন স্থানে অবৈধ ড্রেজার পরিচালনা করে বালু উত্তোলনের অপরাধে ১জনকে ৩০দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ৩টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের এরুয়াখাই গ্রামের বাসিন্দা সাঈদ মিয়ার পুত্র মোঃ আলম।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ বলেন, “ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। বালু মহাল নীতিমালার বাইরে গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।
স্থানীয় লোকজন ২৬শে আগস্ট বিকাল ৩ঘটিকায় প্রতিবাদ সভার ডাক দেয় এতে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে।
সংবাদ পেয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৬শে আগস্ট দুপুরে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনায় বসেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক, আলোচনা শেষে তিনি জানান গত ২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখ দোয়ারাবাজার উপজেলায় খাসিয়ামারা বালুমহালে বালু উত্তোলন নিয়ে সংঘটিত বিরোধের বিষয়ে জেলা প্রশাসক, সুনামগঞ্জ এর উপস্থিতিতে বিদমান দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়।
উক্ত আলোচনায় ইজারাদার খাসিয়ামারা বালুমহালে অবৈধভাবে ড্রেজার স্থাপন করে বালু উত্তোলন করবেন না এবং রাবারড্যামের অভ্যন্তরে বাল্কহেড ব্যবহার করে বালু পরিবহন করবেন না মর্মে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।এতে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তে আনন্দিত হয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

