মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিতপথচারী ও অসুস্থদের মাঝে টিম ছাতকের সেহরি বিতরণশান্তিগঞ্জে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ঈদ উপহার বিতরণ জামালগঞ্জে কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বাজার থেকে সয়াবিন তেল উধাও! 

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ : বুধবার, ১১ মে, ২০২২
  • ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বোতলজাত ভোজ্য (সয়াবিন) তেলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আর খোলা বাজারে তেল বিক্রি হচ্ছে ২’শ ১০ থেকে ২০ টাকা দরে। যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি।

ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় এ তেল কিনতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে অনেক দোকানীরাই বলছেন বোতলজাত তেলের কৌটা ভেঙ্গে বের করে তা খোলা তেল হিসেবে বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। আর এতেই বাজারে বোতলজাত তেলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

বুধবার এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক দোকান ঘুরে বোতল ভর্তি মোড়ক লাগানো কোন তেল খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুই একটা দোকানে তেল ভর্তি বোতলের দেখা মিললেও তার দাম হাকাচ্ছেন একটু বেশি। সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর শহরের শতাধিক মুদি দোকানে বোতলজাত তেলের সঙ্কট রয়েছে।

এসব দোকানীরা বলছেন, বিশেষ করে তেলের মূল্য নির্ধারণের পর বোতলজাত তেল অনেকটাই বাজার থেকে উধাউ হয়ে গেছে। নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকার এক মুদি ব্যবসায়ী জানান, বোতলজাত তেলের মোড়কে মূল্য নির্ধারণ করা রয়েছে। মূলত এই কারণে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী বোতল ভেঙ্গে খোলা তেল বিক্রি করছে অন্তত ২০ টাকা বেশি দরে। এর ফলেই বাজার থেকে বোতলজাত তেল উধাউ হয়ে গেছে।

এদিকে পৌর শহরের এতিমখানা এলাকাসহ বিভিন্ন অলিগলিতে খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ২’শ ২০ টাকা দরে। আর মাছবাজার সংলগ্ন অনেক দোকানেই খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ২’শ ১০ টাকা দরে। এদেরই একজন মুদি দোকানী শংকর দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কেনা ২’শ টাকার উপরে বিক্রি করবো কত? স্থানীয় মহাজন, রাধা কান্ত দাস জানান, গত ৫দিন ধরে তার প্রতিষ্ঠান থেকে একজন দোকানীকেও তেল দিতে পারেননি। বোতলজাত তেলের চরম সঙ্কট থাকায় তাদের মহাজনী দোকান থেকে খুচরা দোকানে পাইকারী তেল বিক্রি করতে পারছেন না। আবার মহাজনেরা তেলের সাথে চা পাতা, মসলা ধরিয়ে দেয়। এসব পণ্য না আনলে তেল দেয়না।

এদিকে ভুক্তভোগী সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স এন্ড বনষ্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন’র সচিব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে খোলা তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১’শ ৮০ টাকা। কিন্তু প্রায় প্রতিটা দোকানেই খোলা তেলের দাম রাখা হচ্ছে ২’শ টাকারও অনেক ঊর্ধ্বে। ক্রেতারা বলছেন, সমস্ত বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রি হচ্ছে কেন। আর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং কিবাং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেই বা কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না। #

 

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656