মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিতপথচারী ও অসুস্থদের মাঝে টিম ছাতকের সেহরি বিতরণশান্তিগঞ্জে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ঈদ উপহার বিতরণ জামালগঞ্জে কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বিশ্বনাথে দুই ভাইয়ের অবদানে পরিবারে ৭ জন শিক্ষক

মোঃ আবুল কাশেম
  • সংবাদ প্রকাশ : বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৩০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে বংশানোক্রমে শিক্ষকতার জীবনে একই পরিবারের দুই ভাই এনেছেন অসাধারণ সফলতা।

নিজেদের শিক্ষকতার পাশাপাশি সুশিক্ষভ দিয়ে সন্তানদের জীবন গড়েছেন তারা।

৫ সন্তানকেও বানিয়েছেন মানুষ গড়ার কারিগর। ১২ সদস্যের পরিবারে ৭জনই শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।

যাদের অবদানে ৭জন শিক্ষক হয়েছেন তারা হলেন, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ভোগশাইল গ্রামের নরেশ চন্দ্র দে’র দুই ছেলে অমলেন্দু চন্দ্র দে ও নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু।

তাদের বাবাও ছিলেন একজন সফল শিক্ষক। বাবা অবসরে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন সরপঞ্চ হিসেবে এলাকার দায়িত্ব পালন করেছেন।

অমলেন্দু দে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বনাথ সদরের বিশ্বনাথ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন। ওই শিক্ষকের ৩ কন্যা আজ শিক্ষকতা করছেন।

তিন কন্যার একজন বড় মেয়ে শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে হয়ে বর্তমানে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, একজন চান্দশির কাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন আর অপরজনও শ্বশুড় বাড়ি গোলাপগঞ্জে শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।

তার ছোটভাই নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু উপজেলা সদরের রামসুন্দর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অবসরে আছেন।

নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টুর দুই মেয়েও শিক্ষক। তাঁর মধ্যে একজন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক অপরজন শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে করে বর্তমানে অষ্ট্রিয়া রয়েছেন।

তাঁর ছেলে মিনাল কান্তি দে সিটি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু বলেন, তাঁর বাবার আদর্শে আমাদের পরিবার আজ এমন একটি অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656