শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন

মঈনুল হক কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ : সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

নিজেস্ব প্রতিবেদক: সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, মইনুল হক কলেজ সুনামগঞ্জ জেলার জয়নগর বাজারের সুরমা নদীর পাড়ে ২০০৪ সালে প্রতিস্টিত হয়। মইনুল হক কলেজের প্রতিস্টাতা জনাব মইনুল হক(মাইনুল্লা)।

কলজের শুরু থেকে প্রিন্সিপাল নিযুক্ত হোন জনাব মতিউর রহমান স্যার।কলেজ প্রতিষ্টা হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে কলেজে গ্রহনযোগ্যতা ও ছাত্রছাত্রীদের সংখা বাড়তে থাকে।শুরু থেকে কলজের শিক্ষার মান ভাল হতে থাকে,২০১৪-১৫ সালে এইচ এস সি পাশের হার বেশি নিয়ে মইনুল হক কলেজ সুনামগঞ্জ জেলার মধ্য ভালো অবস্থান অর্জন করে।

এরপর ২০১৭ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে কলজের শিক্ষার মান খারাপ হতে থাকে।মইনুল কলজের ২০১৯ সালে ১৫০+ এইচ এস সি পরিক্ষার্থী পরিক্ষা দিলেও পাশ করে মাত্র ৫১ জন।সুনামগঞ্জ জেলার মধ্য সবচেয়ে খারাপ ফলাফল আসে।এরপর প্রতি বছর খারাপ ফলাফল আসতে থাকে।২০২২ সালেও সবচেয়ে খারাপ ফলাফল আসে ১৫০+ পরিক্ষার্থী পরিক্ষা দিলেও পাশ করে মাত্র ৫৬-৬০ জনের মত।

ফলাফল এত খারাপ আসার কারন, প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যারের এক নায়তন্ত্র, কলেজে মানসম্পন্ন শিক্ষক না থাকা।তারপর কলজে একজন পিয়নের চাইতেও কম বেতনে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া। বেতন ৫-৬ হাজারের মত হবে। প্রিন্সিপাল মতিউর স্যারের মতের বিরুদ্ধে বা স্যারের অপছন্দ হলে সে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের যতই ভালো পড়াশোনা করাক না কেন তাকে কলজে থেকে বের করে দেওয়া।

ইতিমধ্যে প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যার অনেক শিক্ষক কে কলজ থেকে বের দিয়েছেন শুধু মাত্র তাহার গোলামী না করা কিংবা তাহার অনুসারী না হওয়ার কারনে।সম্প্রতি সময়ে দেশের বিভিন্ন কলেজ থেকে প্রিন্সিপাল, ভিসি প্রত্যাহার কিংবা পদত্যাগ করানো হচ্ছে।

আমরা সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের চাওয়া প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যার কে পদত্যাগ করতে হবে।এখন আসুন, অধ্যক্ষ মতিউর রহমান স্যার কে পদত্যাগ করার জন্য আমাদের আন্দোলনের কারন!

১! একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফিস ও মাসিক বেতন অন্যান্য কলজের তুলনায় বাড়তি।

২! দ্বাদশ শ্রেণির শেসন ফিস ও এইচ এস সি পরিক্ষার্থীদের ফর্ম ফিলাপের ফিস অন্যান্য কলজের তুলনায় বাড়তি।

৩!অনার্স শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফিস, মাসিক বেতন সেশন ফিস অন্যান্য কলজের তুলনায় বাড়তি।

৪!প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যার পরিবারসহ মইনুল হক কলেজের আইসিটি রুমে অবৈধভাবে বসবাস।

৫! কলজের একাদশ -দ্বাদশ শ্রেনী, অনার্স শিক্ষার্থী মোট ৩০০+, তাদের থেকে প্রাপ্ত যে পরিমাণ বেতন পাওয়া হয় সেই তুলনায় কলেজের সকল শিক্ষকদের বেতন ৬ ভাগের একভাগ খরচ করে বাকী টাকা আত্নসাত।

এই টাকার হিসাব জানতে চাইলে প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যার বলেন, সকল শিক্ষার্থী নাকি প্রতিমাসে বেতন দেয়না। অথচ এইচ এস সি পরিক্ষার্থীদের, অনার্স শিক্ষার্থীদের ইয়ার চেঞ্জের ফর্ম ফিলাপের সময় সকল বকেয়া বেতন তিনি একসাথে আদায় করেন। বকেয়া বেতন না দিলে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করতে দেন না।

৬! প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান কলেজের পাশে সুরমা নদীর তীরে ভেসে যাওয়া সরকারি খাশ জমি ইজারা দিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্নসাত করেন।

৭! কলজের ম্যানেজিং কমিটি প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যারের পছন্দ মতো উনার আনুগত্য থাকে এমন লোক নিয়োগ দেন।

বিগত কয়েক বছরে প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যার কলেজের বাহিরের দিক টা যেমন ভাবে সাজিয়েছেন সেটা পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয়, কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে কলেজের শিক্ষার মান খুবই ভয়াবহ এবং লজ্জাজনক।

আমাদের সবার প্রিয় প্রানের ক্যাম্পাস মইনুল হক কলজের শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যারের পদত্যাগ করাতে হবে বাধ্যতামূলক।

তাই আমাদের সকলের দাবী হোক একটাই প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যারের পদত্যাগ। তাই মইনুল হক কলেজের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একতা ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন আশা করি।

** চলো চলো আন্দোলন গড়ে তুলি, প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যারের পদত্যাগ করে, প্রানের কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন করি।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান দাবী এক দফা এক, প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান স্যারের ও উনার স্ত্রীর পদত্যাগ।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656