


আফতাব উদ্দীন সুনামগঞ্জ :
১৪৩২ বাংলা সনে নতুন বছরে লক্ষণশ্রী ইউনিয়নসহ সর্বস্তরের জনসাধারনকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তরুণ রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, লন্ডন প্রবাসী মোশাহিদ আলম মহিম তালুকদার।
মহিম তালুকদার নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রতিদিনের সুনামগঞ্জ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক।
তিনি এক বার্তায় বলেন,আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। পহেলা বৈশাখ হলো বছরের নতুন দিনের সূচনা, আমাদের ঐতিহ্যের উদযাপন, সংস্কৃতির মিলনমেলা! সব বাঙালির প্রাণের উৎসব।প্রাচীন বাংলা পুঁথিতে বঙ্গাব্দের বহুল ব্যবহারের ইতিহাস জানা যায়। মোগল সম্রাট আকবরের বাংলা সাল প্রবর্তনের পর থেকে গত প্রায় চারশ’ বছর ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে কৃষি চাষাবাদ ও ঋতুর সঙ্গে অনেক উৎসব ও পার্বণ অনুষ্ঠান যুক্ত হয়। মোগল সম্রাট আকবরের আমলে (১৫৮৪ বঙ্গাব্দ থেকে) চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল প্রজাকে খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর পরদিন মানে পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদের মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষ্যে তখন বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হতো। যা ধীরে ধীরে ভারতীয় উপমহাদেশে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়। এভাবেই ভারতীয় উপমহাদেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সূচনা।
সময়ের সাথে বৈশাখের ব্যাপ্তি ঘটেছে। বৈশাখ এখন রূপ নিয়েছে অসাম্প্রদায়িক চেতনার ! মানুষের এই উৎসবে যোগ হয়েছে নানান বিনোদন। মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে আনন্দ শোভাযাত্রায় পরিবর্তন হলেও তার মৌলিকতা এক ও অভিন্ন। বৈশাখের সেই অভিন্নতাই ধর্ম-বর্ণ,জাত-অজাত ভেদাভেদ ভুলিয়ে মানুষের পরিচয় বহন করে।
কাব্যে-গানে,নৃত্যে-নাট্যে সর্বচিত্তে বরণ করি আমাদের বাঙালির অমলিন ঐতিহ্য ‘পহেলা বৈশাখ’।
মহিম তালুকদার তিনি তার নির্বাচনী এলাকা লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন এবং সর্বস্তরের জনসাধারন সহ দেশবাসিকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আরো বলেন। আপনারা জানেন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আমি একটি মিথ্যা মামলার আসামি ছিলাম। এজন্য বাধ্য হয়ে আমাকে প্রবাসে আসতে হয়। তাই আত্মীয়-স্বজন পরিচিত বন্ধুবান্ধব এবং আমার নির্বাচনী এলাকার কাউকে বলে আসতে পারিনি এজন্য আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি যেখানেই থাকি না কেন সব সময় আমার ইউনিয়ন সহ দেশবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাব এবং আমার ইউনিয়নয়নের জনগন নিশ্চয়ই আমাকে আগামীতে ও আমার ভালবাসার মূল্যায়ন করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

