
নাঈম হোসেন
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শাল্লা গ্রাম ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পরে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অসংখ্য পরিবার।
সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হিন্দু-মুসলিম ভূমিহীন, দিনমজুর ও কৃষক সবাই মিলেমিশে বসবাস করা এই গ্রামটি ২০১৯ সাল থেকেই কালনী নদীর ভয়াবহ ভাঙনের মুখে রয়েছে।
চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে নদীর পানি কমতে থাকায় ভাঙনের গতি হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে শতাধিক পরিবার এখন ঘরবাড়ি হারানোর হুমকির মুখে রয়েছেন।
নদী তীরবর্তী এই গ্রামে ঘরবাড়ি, মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন ও বাজার নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন প্রবল শঙ্কায়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আসন্ন হেমন্তেই পুরো গ্রামটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের মধ্যে মোছাঃ নূরুন্নেছা বেগম (৫০), আছিয়া বেগম (৭০), মোঃ রাজিব মিয়া (৪০), মোঃ মকবুল খাঁ (৪৫), মোঃ মোস্তফা খান (৫৫), সাত্তার মিয়া (৪৫), সেলিম মিয়া (৪৪), দরছ মিয়া (৫৫), মোহাম্মদ মিয়া (৫৪), মোঃ লিলু মিয়া (৪০), আমিনুল ইসলাম (৩৮), নজরুল ইসলাম (৬৫), মোঃ তাউছ মিয়া (৪৭), সাজ্জাদ মিয়া (৪৫), আমানত খাঁ (৬০), অলিউর মিয়া (৩৫) সহ আরও অনেকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন—ইতিমধ্যে অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর পানি বাড়লে আরও বহু ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যেতে পারে। বারবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দ্বারস্থ হলেও মেলে না কোনো কার্যকর সমাধান। শুধু আশ্বাসই তাঁদের প্রাপ্য হয়ে থাকে। নদীভাঙনের কবল থেকে বাঁচাতে তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও পানি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, “ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছি। নদীভাঙন রোধে প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।”
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা।
সম্পাদক: কাউছার উদ্দিন সুমন, নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ, বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান। অস্থায়ী বার্তা বাণিজ্যিক কার্যলয়: জয়নগর বাজার, সুনামগঞ্জ। ই-মেইল: Haworbartaofficials@gmail.com মোবাইল: ০১৬৪৭-৮৩৪৩০৩।