


সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা জেরিন। মঙ্গলবার (১৭) জুন দুপুরে তার কার্যালয় দুই সংবাদ কর্মী নৌকার গ্রাম মাইজবাড়ি, সেই শিল্প বাঁচিয়ে রাখতে সদর উপজেলার কি উদ্যােগ আছে, এমন এক বক্তব্য নিতে গিয়ে ইউএনও’র তোপের মুখে পড়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জ বিজয় টিভির জেলা প্রতিনিধি আলাউর রহমান ও বাংলা টিভির ও সারা বাংলা জেলা প্রতিনিধি আল হাবিব মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার রুমের সামনে থাকা অফিস পিওনের কাছে ভিজিটিং কার্ড দেন দুই সংবাদ কর্মী। তারপর তারা ভিতরে প্রবেশ করলে ইউএনও উচ্চ কন্ঠ সুরে বলেন আপনারা কারা, কেন এসেছেন এখানে। জবাবে দু’জন সংবাদ কর্মী তাদের পরিচয় দেন এবং নৌকা শিল্পের বিষয়ে আপনার একটা বক্তব্য ওই কথা বলতেই ইউএনও আরোও ক্ষেপে গিয়ে রাগান্বিত হয়ে বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমি বক্তব্য দিতে পারব না।
সুনামগঞ্জ বিজয় টিভির জেলা প্রতিনিধি আলাউর রহমান সারা বাংলাকে বলেন, বর্ষা মৌসুমে সদর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের নৌকা পুরো হাওরাঞ্চলের মানুষদের কাজে লাগে। কারণ হাওর রাস্তা ঘাট ডুবে গেলে রাস্তার প্রয়োজন হয়। বছরে এই গ্রামে ২০ কোটি টাকার নৌকা সারাদেশে বিক্রি হয়। অথচ এই শিল্পের দিকে প্রশাসনের কোনোও নজর নেই। তাই নৌকা শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কোনোও পরিকল্পনা আছে কি না, সেই বিষয়ে বক্তব্য নিতে ইউএনও অফিসে গিয়েছিলাম কিন্তু ইউএনও মহোদয়ের যে দাম্ভিকতা সেটা দুঃখ জনক।
বাংলা টিভি ও সারা বাংলা জেলা প্রতিনিধি আল হাবিব বলেন, ইউএনও মহোদয় নৌকা শিল্প নিয়ে বক্তব্য দিবেন না, সেটা সুন্দর করে বললেই পারতেন, কিন্তু তিনি রাগান্বিত হওয়ার কিছু ত এখানে ছিল না। উনি যদি সংবাদ কর্মীদের সাথে এমন আচরণ করেন তাহলে সাধারণ মানুষদের সাথে উনি ত আরোও খারাপ আচরণ করবেন।
সুনামগঞ্জ সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ আর জুয়েল বলেন, আসলে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন আচরণ আমরা আশা করি না। উনি সাধারণ মানুষের কথা জানতে কিংবা তাদের সেবা করতে এই জেলায় এসেছেন দাম্ভিকতা দেখাতে আসেন নি। আশা করি জেলা প্রশাসক মহোদয় এই বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখবেন। তবে এই বিষয়ে জানতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা জেরিনকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

