


মো.সহিদ মিয়া
সুনামগঞ্জ জেলার কুস্তি খেলা নিয়ে দুই সংগঠনের একত্রিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কুস্তি খেলা নিয়ে দুই সংগঠনের ঝামেলার মীমাংসা হয়।
বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে এ মীমাংসা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আদিবাসী কৃতিত্বটা ধরে রাখতে ভাই, শরৎকালে খেলি খেলাধুলা তার নাই। সামাজিকতা রক্ষা করতে করি আমন্ত্রণ,
কয়েকটি গ্রাম মিলে মিসে করি আপ্যায়ন।
কবি সহিদ মিয়া একাগ্রচিত্তে তাকান কাব্যগ্রন্থ থেকে ৪৯ পৃষ্টার লেখা কবিতায়
প্রমাণিত হয় যে,এই অঞ্চলে দীর্ঘকাল থেকে কুস্তি খেলা চলে আসছে। সেই কুস্তি খেলাকে লক্ষ্য করে আজও লক্ষ লক্ষ জনতা এই খেলা খেলে থাকেন। স্থানীয় জনতা এই খেলাকে কেন্দ্র করে বিগত ৭ বছর পূর্বে বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন সময় গ্রামে গ্রামে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে যেতো। সেই সূত্রে স্থানীয় কিছু সাবেক খেলোয়াড় একটি কমিটি গঠন করলেন। কমিটির নাম দিলেন ভাটি বাংলা ফেডারেশন। সভাপতি সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত করে এতে যাচাই-বাছাই করে ৫৭টি টিম স্থান পায় এবং যাচাই-বাছাই করে আমিন নিয়োগ হয়। সংগঠনের মেয়াদ ছিলো দুই বছর স্থানীয় জনতার মন মানসিকতা ভালো তাই ক্যাশিয়ার নিয়োগ হয়নি। সভাপতি সেক্রেটারি মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, প্রতি টিম থেকে ৩০০০ টাকা করে তোলা হলো, বিভিন্ন অনিয়ম এর কারণে জরিমানা আদায় করা হয়েছে বিভিন্ন টিম থেকে। এরই ধারায় পাঁচ বৎসর চলছে কোন প্রকার বিবাদ বিশৃঙ্খলা হয়নি। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বিগত এক বছর পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলা স্টেডিয়াম কুস্তি খেলার নামে একটি বিভাজন ঘটে, সেই বিভাজনের কারণে এক পক্ষ হয়ে যায় ১৬ টি টিমের দল নাম দেন এসোসিয়েশন এই সংগঠনের সভাপতি ড, শাহানুর, এ বছর নতুন সূচনার পূর্বে ফেডারেশনের কয়েকজন সদস্যর উপস্থিতিতে সভাপতি নুরুল হক ওই কয়েকটি টিমকে বহিষ্কার ঘোষণা করেন। সেই সাথে ৯ জন আমিন ও ৪ টি লাইভার কে ও বহিষ্কার করেন সরাসরি লাইভে সেই থেকে এই ১৬ টি টিমের খেলোয়ার এবং জনতা বিপ্লবী হয়ে ওঠে। তখন তারা সভাপতি কে বিভিন্ন ভাবে লাইভের মাধ্যমে বলেন আপনি কে। আমাদেরকে বহিষ্কার করার। কারণ আপনি বৈধ নয় দুই বছরের মেয়াদ দিয়ে কমিটি করে দিলাম,আজ ৭ বছর বহাল তবিয়তে আছেন, যদি এমনই হয় তবে আমাদের হিসাব সঠিক করে দিয়ে দিতে হবে , এ বিষয়গুলি ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়ে থাকে, এগুলি দেখে স্থানীয় সুশীল সমাজের বিজ্ঞ কয়েকজন ব্যক্তিরা উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। উভয়ের মাধ্যমে অনুমতি নেন, সেই বিষয়টি আজ প্রথম পর্ব পর্বের মীমাংসা হলো বিষয়টি হলো এই (১)(আপনারা একত্রিত হয়ে খেলাধুলা করবেন)
(২)আপনারা সভাপতি এবং সেক্রেটারির কাছ থেকে পুরনো হিসাব খুজে নিবেন এবং তারা দিতে বাধ্য)
(৩) আপনারা নিজে নিজে বসে হিসাব কিতাব এবং কমিটির পূর্ণ গঠন করবেন
প্রথম পর্বের আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জনাব প্রফেসর নুরুজ আলী। অধ্যক্ষ ইসলামগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, অন্যান্য মিডিয়া যারা ছিলেন সিরাজুল ইসলাম পলাশ, ইকবাল হুসেন, মিসবাহ উদ্দিন রুমি, মশিউর রহমান রাসেল, মাস্টার আতাউর রহমান, পরিচালনায় হাফিজুর রহমান বাচ্চু,প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার মরিয়ম উচ্চ বিদ্যালয়,
এ সময় সভাপতি বলেন আমার প্রাণের খেলা মনের খেলা ভালোবাসার খেলা, এবং সুনামগঞ্জ জেলা এই খেলা কে আমরা থাকতে কেন ডিভাইড হতে দেব, তবে আজকে যে তিনটি বিষয়ে আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হলো আমরা। প্রথম পর্বের বিষয় টি মিমাংসা করে দিয়েছি উভয় পক্ষের মনের কালি দূর করে দিলাম, আর বাকি দুটি বিষয় আপনারা নিজে নিজে শুধরে নিবেন। এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব আফতাব উদ্দিন সাহেব তিনি কিছু কথা তুলে ধরার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু উনাকে মিডিয়া ব্যক্তিগণ হাতজুড় করে ক্ষমা চেয়ে বসিয়ে নিলেন এবং বললেন আপনারা নিজে নিজে এগুলি শেষ করে নিবেন। আমাদেরকে যেহেতু সম্মান দিয়েছেন আমরা আপনাদেরকে হাতে হাতে হাত মিলিয়ে দিলাম, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সুযোগ নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললেন আমাদের আগামীতে আর কোন কারো প্রতি বাধ্যবাধকতা নেই উন্মুক্ত খেলা চলবে এবং লাইভাররা উন্মুক্ত খেলা দেখাবে সারা বিশ্বকে। এই বলে সমাপ্তি হয় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কবি মো, সহিদ মিয়া, অন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আবুল কাসেম, জমির উদ্দিন, আজির উদ্দিন, ফারুক মিয়া, আল্লাদ মিয়া,সাইদুল আমিন, বাতিন মিয়া, সাদক আলী, তহুর মিয়া, মধু মিয়া, কামাল উদ্দিন,অধ্যাপক ফজলুল হক দোলন, আবুল কাশেম, বশীর মিয়া, আলিনুর,মতিউর রহমান,নুরে আলম, আজাদ মিয়া, আলি আহমদ, জাহাঙ্গীর, জাহিদ হুসেন, খালেদ মিয়া, শতাধিক টিম লিডার ও সাবেক কুস্তিগিরগণ
পরিশেষে মিডিয়ার পক্ষ থেকে তাদেরকে আপ্যায়ন করা হয় এবং সবাই পূর্বের বেতাভেদ ভুলে একত্রিত হয়ে খেলা করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

