রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কাঠইর ইউনিয়নবাসীকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা মঈনুল হক মুমিনের ঈদ শুভেচ্ছালন্ডন প্রবাসী হাফিজ আখলাকুর রহমান আলমগীরের ঈদ শুভেচ্ছাছনোগাঁওয়ে তরুন আলেমদের সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণদারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও দিরাই উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিরুদ্ধে দুদকে ঘুষ-দূর্নীতি ও অর্থ কেলেংকারীর অভিযোগ দায়ের

রিপোর্টার আমির হোসেন
  • সংবাদ প্রকাশ : রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০২২
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::

সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমান ও দিরাইয়ের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ঘুষ দূর্নীতি ও অর্থ কেলেংকারীর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ৭আগষ্ট ২০২২ইং তারিখে উপ-পরিচালক দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমম্বিত জেলা কার্যালয়,২৪নং এতিমস্কুল রোড, বাগবাড়ি সিলেট কার্যালয়ের অভিযোগ বক্সে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ অভিযোগ দায়ের করেন দিরাই উপজেলার পশ্চিম শরীফপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য উজ্জল চৌধুরী। অভিযোগপত্রে উজ্জল চৌধুরী উল্লেখ করেন দিরাইয়ের পশ্চিম শরীফপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে সরকারী করণ করা হয়। ঐ বিদ্যালয়ের অনুমোদন সংখ্যা রয়েছে ৫টি। বিদ্যালয়টি সরকারী করণের পর ঐ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোঃ সেলিনা আক্তার,সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাকের মদদে দুইটি পদে বহাল থাকেন। জানাযায় আব্দুর রাজ্জাক ২০২১সাল থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) এবং সহকারী শিক্ষা অফিসার হিসাবে দিরাই উপজেলায় একছত্র আধিপত্ত বিস্তার করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। আব্দুর রাজ্জাক কিছু দালাল প্রকৃতির ব্যাক্তিদের সহায়তায় দিনের পর দিন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ বানিজ্য করে আসছেন। কেউ টাকা না দিলে তাকে বদলী হুমকি দেন আব্দুর রাজ্জাক ।

ঐ শিক্ষা অফিসার তিনি অসাধু পথে অনেক টাকা উপার্জন করে অনিয়ম দূর্নীতি ও ঘুষ বানিজ্য চালিয়েছেন। আব্দুর রাজ্জাকের চেয়ে ৫ বছরের সিনিয়র সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিরাজুল আসেকীনকে দায়িত্ব না দিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমানকে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে বহাল তবিয়তে ভারপ্রাপ্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুর রাজ্জাক বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমান তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ( ভারপ্রাপ্ত)আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে মোটা অংকের নিয়মিত ঘুষ বানিজ্যে নিজেকে জড়িয়ে নিয়ে অনিয়ম দূর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ এর কাজে সহযোগিতা করেন দিনের পর দিন। আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যালয়ের উন্নয়ণ মূলক যে কোন কাজে মোটা অংকের ঘুষ দাবী করেন। টাকা না দিলে হয়রানি করেন? যার একটি জলন্ত প্রমান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা (চ.দা.) রায়হানা সিদ্দিকা।
জানাযায় রায়হানা সিদ্দিকা (চ.দা.) এবং প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন সময় সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাককে ঘুষ দেওয়ার কথা প্রাক্তন সভাপতি সাদেকুর রহমান ও অভিযোগকারী দাতা সদস্য উজ্জল চৌধুরীকে অবগত করেন। এ ছাড়াও ইদানিং অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিক রায়হানা সিদ্দিকা (চ.দা.) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ১ লক্ষ টাকা দিতে বলেন। না দেওয়ায় অনত্র বদলী করে দিবেন এমন হুমকির পর বদলী করার অভিযোগ রয়েছে। রায়হানা সিদ্দিকা জানান টাকা না দেওয়ার কারণে গত ৩১জুলাই ২০২২ইং তারিখে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমানের সহায়তায় আব্দুর রাজ্জাক প্রধান শিক্ষিকাকে বদলীর আদেশ করেন। উল্লেখ্য যে বর্তমানে সারা দেশে বদলীর আদেশ স্থগিত রয়েছে.? আরও জানা যায় স্কুলে সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা আক্তারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে সরিয়ে সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রধান করা হয়েছ্ ে। সেলিনা আক্তার বিদ্যালয়ের দুটি পদে বহাল রয়েছেন এবং রায়হানা সিদ্দিকার বদলীকৃত আদেশে ঐ বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষক প্রদায়ন করা যাবেনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
জানা যায় সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা আক্তার বিদ্যালয়টি জাতীয় করণের পরে পদের জন্য মহামান্য হাইকোর্টে রিট করেন। কিন্তু মহামান্য হাইকোর্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায় রিট কারিজ করে দেন। যার রিট পিটিসন নং-৩৮৯৫/২০১৬। এছাড়াও বর্তমানে ১টি মামলা প্রশাসনিক টাইবুন্যালে চলমান আছে। যার মামলা নং-২৮৮/২০২০ইং। আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমান টাকার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষিকা রায়হানা সিদ্দিকাকে অনত্র বদলী করে এবং সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিক করে নোটিশ প্রধান করেন। অথচ গত ৪বছর ধরে শিক্ষক হাজিরা খাতায় সেলিনা আক্তার স্বাক্ষর করেন নাই । তিনি বসে বসে বেতন পান অন্য দিকে আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষিকাকে দিয়ে সেলিনা আক্তারের নামের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিতে বলেন প্রতিনিয়ত রহস্য জনক কারনে? কেউ স্বাক্ষর দিতে রাজি না হলে অনত্র বদলীর হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়্। সেলিনা আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা করার কারণে এসব কর্মকান্ড দেখে গ্রামের অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সাধারণ ব্যক্তি বর্গের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন ঐ দাতা সদস্য । এসব বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ঘুষ দূর্নীতির হুতা আব্দুর রাজ্জাকের শাস্তি মূলক ব্যবস্থা ও অনত্র বদলী করে দিরাই উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে দূর্নীতি মুক্ত সুন্দর পরিবেশ স্থাপন করার দাবীতে এই অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে জানান অভিযোগকারী উজ্জল চৌধুরী।

এ ব্যাপারে দিরাই উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে ঘোষ দূর্নতির আনীত অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন,এই শরীফপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুজন প্রধান শিক্ষক রয়েছেন তারা একে অপরের বিরুদ্ধে কাদ;া ছুড়াছুড়ি করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছেন। এমনকি এই দুজন শিক্ষক একে অপরের সাথে কথা পর্যন্ত বলেননি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,দুদকের অভিযোগ করা হয়েছে তদন্ত আসুক আসলে পরে দেখা যাবে এই অবিযোগের সত্যতা কতটুকু তদন্তে প্রমানিত হবে। অবিযোগকারীরা প্রতিহিংস্রা পরায়ন হয়ে এমন অভিযোগটি করেছেন বলে যার কোন ভিত্তি নেই বলেও তিনি জানান। ##

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656