শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

হেক্সাস গোবিন্দগঞ্জে পিঠা উৎসব পালিত।

শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
  • সংবাদ প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৪১০ বার পড়া হয়েছে

শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান: পৌষ পার্বণে পিঠা খেতে এসে, খুশিতে বিষম খেয়ে, আনন্দ আর উল্লাস বাড়িয়েছে মন হেক্সাস গোবিন্দগঞ্জের এই বিশাল আয়োজন।

বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব হলো পিঠা উৎসব,পিঠা উৎসব কে স্বরণীয় রাখতে (বৃহস্পতিবার) ১৫ই ডিসেম্বর ব্যতিক্রম আয়োজন করে হেক্সাস গোবিন্দগঞ্জ শাখা, এতে হেক্সাসের শিক্ষার্থীরা বাহারী সাজে পিঠাস্টল বসায়,তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্টল হলো, রসের হাড়ি পিঠাঘর,দখিনা হাওয়া,রকমারি পিঠা হাউস,মিঠাই পিঠাওয়ালী,দেখলেই জিভে জল,Eat পিঠা Be মিঠা,হাও-মাও-পিঠা খাও,খেয়ে তো আবাক, ই এক সুন্দর,মিঠাই,ব্যচেলার পয়েন্ট,ফাইটার্স অফ আইএলটিএস এবং পিঠাওয়ালা।

পিঠা উৎসব ঘুরে দেখা যায়, পিঠার স্টলগুলো জমেছে বেশ। বন্ধু-স্বজনদের নিয়ে অনেকেই এসেছিলেন গ্রামবাংলার পিঠার স্বাদ নিতে। বেশিরভাগ মানুষেরই আগ্রহের পিঠা ছিল মিষ্টি জাতীয়। তবে ঝাল-টক পিঠাতেও ছিল না অরুচি। উৎসবের প্রায় ১৯টি স্টলে শতাধিক’ পদের পিঠা নিয়ে হাজির হয়েছে হেক্সাস গোবিন্দগঞ্জের শিক্ষার্থীরা। যার মধ্যে ছিল- ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, মালপোয়া, মেড়া পিঠা, মালাই পিঠা, মুঠি পিঠা, আন্দশা, কুলশি, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীরকুলি, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসফুল পিঠা, সুন্দরী পাকান, সরভাজা, পুলি পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, নারকেল জিলাপি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, পানতোয়া, জামদানি পিঠা, হাঁড়ি পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা পিঠা, বিবিখানা, চুটকি পিঠা, চাপড়ি পিঠা, ঝিনুক পিঠা, সূর্যমুখী পিঠা, ফুল পিঠা, বিবিয়ানা পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠা, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি, দুধরাজ, ফুলঝুরি পিঠাসহ আরও বাহারি সব নামের পিঠা।

হেক্সাস গোবিন্দগঞ্জের প্রধান পরিচালক আব্দুল মালিক শিপন স্যার পিঠা উৎসব সম্পর্কে দৈনিক হাওড় বার্তা কে জানান, হেক্সাস গোবিন্দগঞ্জের পিঠা উৎসব আয়োজনে আমরা আনন্দিত। প্রত্যেক মানুষের শিক্ষার পাশাপাশি দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। বর্তমানে দেশ থেকে পিঠা উৎসব বিলুপ্তের পথে, বাঙালি সংস্কৃতি কে তুল ধরে রাখতে আমরা ব্যতিক্রমী আয়োজন করি। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখতে পেয়েছি। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা ইংরেজি শিখার ভাষার পাশাপাশি দেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য সংস্কৃতি সম্পর্কে জানুক। আর হেক্সাস চেষ্টা করে সব সময় শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি দেশ সম্পর্কে কিছু জানান দেওয়ার।আর  আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা আপনাদের উৎসাহ উদ্দীপনায় হেক্সাস এতদূর পর্যন্ত আসতে পারেছি।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656