


সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ঘোলঘরস্থ রামকৃষ্ণ মিশন,দূর্গাবাড়ি মন্দির,জগন্নাথবাড়ি মন্দির,কালীবাড়ি মন্দিরসহ ২৫টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও আইন শৃংখলার সার্বিক অবস্থা ঘুরে ঘুরে দেখেছেন পুলিশ সুপার মো. এহসান শাহ।
এ সময় তিনি পূজায় আগত ভক্তবৃন্দসহ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে এবং সার্বিক অবস্থা খোঁজখবর নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
রোববার সন্ধ্যা থেকে গভীররাত পর্যন্ত শহরের সবকটি পূজামন্ডপ পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সাঈদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন,সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী,রামকৃষ্ণ আশ্রমের সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে,সাধারন সম্পাদক যোগেশ্বর দাস,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড.বিমান কান্তি রায়,সহ সভাপতি স্বপন কুমার দাস,চন্দন কুমার রায়,সাধারন সম্পাদক বিমল বণিক,নবারুন সংঘের সভাপতি লিটন কর,সাধারন সম্পাদক দেবাশীষ দাস গুপ্ত বাপ্পি,জয় দূর্গা পূজা কমিটির সভাপতি মতিলাল চন্দসহ পুলিশের উর্ধবতন কর্তকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার মো. এহসান শাহ বলেছেন,বাংলাদেশের ইতিহাসে সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ হচ্ছে হাওরের এই জেলা সুনামগঞ্জ। এখানে প্রতিটি ধর্মের মানুষের মাঝে যে সম্প্রীতি ও সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান তা দেখে সত্যি আমি অভিভূত।
এই জেলায় যেকোন ধর্মের পূজা বলেন আর ঈদ বলেন সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন করার সংস্কৃতি অন্যান্য জেলাতে কম দেখা যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন সুনামগঞ্জ জেলার ৫২৬টি পূজামন্ডপে নিশ্চিত নিরাপত্তা বলয় তৈরী করে রাখার পাশাপাশি প্রতিটি পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে । যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই হিন্দু ধর্মের সকল ভক্তবৃন্দ মা-বোনেরা নিরাপদে পূজায় অর্চনা অজ্ঞলী প্রদান থেকে শুরু করে প্রতিটি পূজামন্ডপগুলোতে নির্বিঘ্নে গিয়ে প্রতিমা দর্শন করে নিরাপদে বাসা বাড়িতে ফিরতে পারবেন বলে ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজামন্ডপে ফল উপহার দেন পুলিশ সুপার মোঃ এহসান শাহ।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

