


নিজেস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় একের পর এক চুরির ঘটনা বেড়েই চলছে। গত এক মাসে উপজেলার জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নে সাচনা রামপুর, সাচনা চৌধুরী বাড়ী, সাচনা বাজারে শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, লোকনাথ সেবাশ্রম, সাচনা জামে মসজিদ, রহিমাপুর গ্রামের কালী মন্দির, লক্ষী মন্দির, ঠাকুরবানী মন্দির, রামপুর গ্রামের গনেশ মন্দির, গুরুচন্ডী মন্দির, রামপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, শরতপুর গ্রামে রাধাগোবিন্দ মন্দির, সাচনা গ্রামের প্রানোতোষ ঘোষ চৌধুরী, প্রদীপ ঘোষ চৌধুরী, নেহার দাস, সাচনা বাজারের জয়বেন্দ্র পাল, অনন্ত পাল, টিটু বনিকের বাসা ও মন্দিরে চুার হয়। চোরেরা পিতলের মূল্যবান বিগ্রহ, তামা কাসার পুরাতন থালাবাসন, শঙ্খ, ঘন্টা, করতাল ধুপদানী, টিভি, এবং সৌর বিদ্যুতের বেটারী সহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় উদ্দিগ্ন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে সামাজিক শৃংখলা সুরক্ষা কমিটির আহবায়ক জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রবীন্দ্র কুমার দাস রবী বাদী হয়ে জামালগঞ্জ থানায় সোমবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাসা বাড়ির নিরাপত্তা ও একের পর এক চুরি রোধে জামালাগঞ্জ থানার একটি অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ প্রেক্ষিতে জামালগঞ্জ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ চোর ২ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের উত্তর কামলাবাজ গ্রামের আক্তার হোসেন, রবিউল আওয়াল, রিপন আহমেদ, কাওসার আহমেদ এবং সাচনা বাজার ইউনিয়নের দূর্লভপুর গ্রামের জহির আলম।
জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ দীলিপ কুমার দাস বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ চোর এবং চুরির মালামাল রাখা ২ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

