


তৌহিদ চৌধুরী প্রদিপ
জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালি ইউনিয়নে দেউতান বিলে অবৈধ ভাবে নেট জালে ডাক বাঁধের মাধ্যমে মৎস্য নিধনের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জামালগঞ্জের গোলামীপুর- শাহাপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল মালিক গত ৩ অক্টোবর (২০২৪) জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করেছেন
অভিযোগ থেকে জানা যায়, জামালগঞ্জ উপজেলাধীন দেউতান বিল জলমহালটি তাদের সমিতির অনুকুলে ১৪৩১-১৪৩৩ বাংলা সন পর্যন্ত সরকারের নিকট থেকে ইজারাপ্রাপ্ত হয়ে সরকারী খাজনা করাদি পরিশোধসহ সম্পাদন করেন। ইউনিয়ন ভুমি অফিস ভীমখালী থেকে দেউতান বিল জলমহালের দখল নামা গ্রহণ করে। দখল গ্রহণ করার পরপরই তারা জলমহালে বাঁশ কাটা দল ও মাছের পোনা অবমুক্ত করে অনেক টাকা ব্যায় করেন। কিন্তু একই এলাকার একতা যুব সমবায় সমিতি লিঃ -এর সভাপতি ও তার সহযোগীরা বিবাদী জুয়েল মিয়া, আঃ খালিক, পরান দাস, সনো মিয়া, জসিম উদ্দিন, গোলামীপুর- শাহপুর সমবায় সমিতির সভাপতি, নামাঙ্কিত বিবাদিরা এলাকার পেশী শক্তির প্রভাব খাটিয়ে তাদের ক্ষতি করায় লিপ্ত রহিয়াছে।
বিগত ৩/৪ দিন পূর্বে রাতের আঁধারে বিলের নিকটবর্তী জায়গায় নেট জাল দিয়ে ডাক বাঁধ দিয়ে মাছ উজান দিকে আটক করে। এতে বিল থেকে তাদের প্রায় কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়। বিষয়টি দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে দুইজনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ও বাকীরা অভিযোগ সত্য নয় বলে অস্বীকার করেন। তারা বলেন, আমরা কারো বিলের মাছ আটক করিনি ; ডাক বাঁধ দিয়ে আমরা বিলের উপরের অংশে মাছ মারার ব্যবস্থা করছি। তবে জলমহাল আইনের নীতিমালায় এমনটি করা যায় কি-না জানতে চাইলে কোন উত্তর দেননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর বলেন, লিখিত অভিযোগ আমার হাতে এখনো পৌঁছেনি। অভিযোগটি পেলেই দ্রুত লোক পাঠিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

