মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিতপথচারী ও অসুস্থদের মাঝে টিম ছাতকের সেহরি বিতরণশান্তিগঞ্জে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ঈদ উপহার বিতরণ জামালগঞ্জে কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

শান্তিগঞ্জে ছোট গরুর চাহিদা বেশি, বড় গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্যাপারীরা

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
  • ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান : কয়েক দিনের বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই পুরোদমে শান্তিগঞ্জ উপজেলার স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ৭টি কোরবানির পশুর হাটে গরু-ছাগল-ভেড়া কেনাবেচা জমে উঠেছে। গ্রামের হাটগুলোতে ছোট ও মাঝারি সাইজের দেশি গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বড় গরু নিয়ে কিছুটা চিন্তিত রয়েছেন ব্যাপারীরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার উপজেলার প্রধান কুরবানী হাট পাথারিয়া, ভাতগাঁও বমভমি বাজারের পাশাপাশি শান্তিগঞ্জ, নোয়াখালী, গণিগঞ্জ, সহ বিভিন্ন হাটে গরু-ছাগল বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু কিছু অস্থায়ী হাটে ঈদের পাঁচ দিন পূর্ব থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত কোরবানির পশু বিক্রি হবে।

ভাতগাঁও বমভমি বাজার ঘুরে দেখা যায়, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকার ব্যাপারীরা দেশি গরু ও ছাগল নিয়ে হাটে হাজির হয়েছেন। হাটে সরবরাহ বেশি থাকায় আশপাশের সড়কেও গরু নিয়ে অপেক্ষা করছেন বিক্রেতারা। ছোট ও মাঝারি আকারের দেশি গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি। ফলে বড় গরু নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যাপারীরা।

এদিকে গরু ক্রয় করতে আসা ভাতগাঁও গ্রামের গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও ক্রেতা সমাগম বেশি। তবে বিগত বছরগুলোতে যারা বড় বড় গরু কিনতেন অনেকেই ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক রয়েছেন। ফলে বাজারে বড় আকারের গরু কেনাবেচা কমেছে।’ তবে তুলনামূলক গরু দাম কম হওয়া সন্তুষ্টি ক্রেতারা

অন্যদিকে, খরচের তুলনায় আশানুরূপ দাম না পেয়ে হতাশ খামারিরা। স্থানীয় খামারী হাসান আহমদ বলেন, “গতবছর যে ষড় গরু বিক্রি করেছি দেড় লাখ টাকা। এ বছর একই আকৃতির গরুর দাম ১লাখ ১০ হাজারের উপরে উঠেছে। অথচ গো-খাদ্যের খড়, ভুষি, খৈল ও অন্যান্য খাবারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পশু লালন-পালনে ব্যয় হয়েছে অনেক বেশি। ফলে আমাদের ক্ষুদ্র খামারিরা লোকসানে পড়ার আশঙ্কা বেশি।

এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুকান্ত সাহা বলেন, “উপজেলার প্রতিটি হাটে প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ তদারকির দায়িত্বে রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে ও সুশৃঙ্খলভাবে পশু কেনাবেচা করতে পারেন।”

স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় তদারকি, দেশি গরুর প্রাধান্য এবং উৎসবের আমেজ—সব মিলিয়ে শান্তিগঞ্জের কোরবানির হাটগুলো ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। তবে খামারিদের লোকসানের শঙ্কা এবং বড় গরুর প্রতি আগ্রহের ঘাটতি এবার বাজার ব্যবস্থাপনাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656