


Abdul Subhan
ছাতকে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার চরমল্লা ইউনিয়নের বড় বিলাই গ্ৰামে স্বামীর বাড়ির নিজ বসত ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বাদ জোহর দাফন নিহতের লাশ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধুর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, ৩ এপ্রিল উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের নানকার গ্রামের মৃত আমিরুল ইসলামের কন্যা রোকসানা বেগমের বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের বড় বিহাই গ্রামের সফর আলীর ছেলে দুবাই ফেরত আলী হোসেনের সাথে। বিয়ের পর থেকেই স্বামী আলী হোসেন স্ত্রীকে বিভিন্ন সময়ে মানসিক ভাবে কষ্ট দিয়ে আসছিলেন জানিয়ে নিহত রোকসানার স্বজনরা বলেন বিয়েতে ফ্রিজ ও গ্যাসের চুলা না দেওয়ায় স্ত্রীকে প্রায়ই অপমান করতো তার স্বামী। এসব বিষয়ে গুলো রোকসানা তার মা সহ একাধিক স্বজনদেরকে অবহিত করে ছিল নিহত গৃহবধুর রোকসানা। নিজের সংসারের সুখের জন্য রোকসানা তার মা ও ভাইয়ের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা এনে স্বামী আলী হোসেন কে দিয়েছিল। তার পরও যৌতুক লোভী স্বামীর মন রক্ষা করতে পারেনি স্ত্রী। বিয়ের সাড়ে তিন মাসের মাথায় বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে নিজের বসত ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছিল নববধূর লাশ। স্বামীসহ পরিবারের লোকজন এই অবস্থায় দেখে তাকে নামানোর চেষ্টা করেনি। খবর পেয়ে থানা পুলিশ বিকেল ৪টার দিকে এসে লাশ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে।
এদিকে, বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে পুলিশ নববধূর স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের বড় বোন নাজমা বেগম বাদি হয়ে ৩০৬ ধারায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং মামলার আসামি নিতের স্বামীকে গ্রেফতার করে আদালতের প্রেরণ করা হয়েছে।


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

