শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

ছাতকে শাহিনের নেতৃত্বে দুই পুলিশ আহত

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে নিয়মিত মামলার আসামি ধরতে গেলে চোরাচালানের গডফাদার উপজেলার টেঙ্গারগাঁও গ্রামের আলতাফ আলীর ছেলে যুবলীগ শাহিনের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এতে দুই পুলিশ সদস্যকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে হামলাকারীরা এসময় ঘটনার সাথে জড়িত অন্তত ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চোরাকারবারি শাহিন যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। গত ১৮ জুলাই প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা মুল্যের ভারতীয় চোরাচালান আটক করে সেনাবাহিনী।

এ ঘটনায় ছাতক থানায় মামলা দায়ের হলে সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় দুই সাংবাদিক মোবাইল ফোনে হুমকী দেয় শাহিন। এসময় সে বলে নিজের টাকায় চোরাচালান ব্যবসা করি সাংবাদিকের কি হয়েছে। তার মালামাল আটক করার দায় সাংবাদিকের উপর চাপিয়ে প্রাণনাশের হুমকী দেন। এ রকম একটি কল রেকর্ড নিয়ে শাহিনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও ততকালিন ওসি তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। যে কারণে সে ও তার ভাইয়েরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

এরপর গতকাল ২৫ আগষ্ট রাত ১১ টার দিকে নিয়মিত মামলার আসামী গ্রেফতার করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই/মোঃ রোমেন মিয়া, সঙ্গীয় ফোর্স সহ ছাতক পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের টেঙ্গারগাঁও গ্রামে অভিযান চালান। এসময় গ্রামের আলতাফ আলীর পুত্র চোরাচালান ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা শাহিনের ভাই জয়নাল মিয়া আসামি ধরতে পুলিশকে বাধা দেয়৷ এছাড়া মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে ৪০-৫০ জন লোক নিয়ে পুলিশকে হেনস্তাসহ জিম্মি করে ফেলে।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌছান ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল আলম খান সহ পুলিশের আরেকটি দল। এসময় পালিয়ে যাওয়ার জন্য শাহিনের নেতৃত্ব পুলিশের উপর হামলা চালায় তার ভাই জয়নাল মিয়া(৩০),আক্তার মিয়া (২৭), মিলন মিয়া (২৫),মোঃ সাইমন মিয়া (২২) ও তার পিতা মোঃ আলতাফ মিয়া (৬০),একই এলাকার নুরুল হকের পুত্র মোস্তাকিন, লাল মিয়ার পুত্র মান্না সহ ৪০/৫০ জনের একটি দল। হামলাকারীরা দা দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়েছে এসআই সাহাব উদ্দিন ও কনস্টেবল মোস্তাক আহমদ কে। যে কারণে পালিয়ে যায় মামলার অন্যান্য আসামিরা। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ৪ হামলাকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। হামলায় আহত এসআই সাহাব উদ্দিন ও কনস্টবল মোস্তাক আহমদ কে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে গুরুত্বর আহত কনস্টেবল মোস্তাক আহমদকে উন্নত চিকিৎসার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এসআই সাহাব উদ্দিন কে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পরে অন্যান্য আসামিদের ধরতে রাত ২ টায় পৃথক অভিযান চালায় যৌথবাহিনী এসময় তাদেরকে না পেলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারীকে আটক করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল আলম জানান,নিয়মিত মামলার আসামি ধরতে গেলে পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এঘটনায় ৪ হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656