মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিতপথচারী ও অসুস্থদের মাঝে টিম ছাতকের সেহরি বিতরণশান্তিগঞ্জে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ঈদ উপহার বিতরণ জামালগঞ্জে কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

কঠোর ইউএনও তরিকুল, ছাতকে কাঁপছে অবৈধ চক্র”

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ তাজিদুল ইসলাম::

নদী ও পাহাড় বেষ্টিত সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা একসময় ছিল প্রাকৃতিক সম্পদের অপার সম্ভাবনার ঠিকানা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এখানকার নদী, বনভূমি ও জলাধারগুলোতে চলছিল অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন। শক্তিশালী চক্রের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ ভুক্তভোগী হলেও প্রতিবাদ করার সাহস পেত না কেউ।

কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। এরপর নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একের পর এক অভিযান চালান।

স্থানীয়রা জানান, একসময় ছাতকের নদীপাড় ছিল ড্রেজার, বাল্কহেড ও স্টিলবডি নৌকার শব্দে মুখর। কিন্তু ইউএনওর কার্যকর পদক্ষেপে সেই চিত্র এখন বদলে গেছে। অবৈধ ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত তিনি ২৩২টি মামলা করেছেন। এর মধ্যে বালু-মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর অধীনে ১৫টি মামলায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও ৮ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোটি টাকার ড্রেজার, বাল্কহেড ও নৌকা জব্দ করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণেও বলিষ্ঠ অভিযান পরিচালনা করছেন ইউএনও তরিকুল ইসলাম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ৬৪টি মামলায় ৬৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ফলে এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের মধ্যেও তার নাম আতঙ্কের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

শুধু বালু-পাথর ও মাদক দমন নয়, ইউএনও নিয়মিত বাজার মনিটরিং, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। এতে সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে এবং প্রশাসনের প্রতি নতুন বিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “অ-অনুমোদিত ড্রেজার দিয়ে অ-ইজারাকৃত স্থান থেকে বালু উত্তোলন বা পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস কোনোভাবেই ছাতকে করা যাবে না। জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত থাকবে।”

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. ইলিয়াস মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656