


সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ভৈষবের গ্রামের মেধাবী তরুণ ফজলুল হক মান্না এখন আলোচনায় তাঁর অনুপ্রেরণাদায়ী সাফল্যের গল্প নিয়ে। ছোট্ট একটি গ্রাম থেকে শুরু হওয়া তাঁর শিক্ষাযাত্রা পাড়ি দিয়েছে আন্তর্জাতিক গণ্ডি। সিলেট থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার দেজন হয়ে শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে, আর সেখানেই সম্পন্ন করেছেন তাঁর উচ্চশিক্ষা।
গত বছরই তিনি স্নাতক সম্পন্ন করেছিলেন, তবে কনভোকেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এ বছর। সেই বিশেষ মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে মান্না লিখেছেন—
“গত বছর স্নাতক সম্পন্ন করেছিলাম, কিন্তু এই বছর হাজির হয়েছি কারণ আমার কনভোকেশনও একটি ‘গ্লো-আপ’ পাওয়ার যোগ্য ছিল! সিলেট থেকে দেজন হয়ে লন্ডন—এই যাত্রা ছিল অসাধারণ। যারা এই পথে পাশে ছিলেন সবাইকে ধন্যবাদ। আর বিশেষ ধন্যবাদ আমার মা’কে—আপনার দোয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। এমন দোয়া পেলে মনে হয়, আমি যেকোনো কিছু করতে পারি!
তাঁর এই কথাগুলো ছুঁয়ে গেছে অসংখ্য তরুণের মন। গ্রামের সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিয়েছেন ফজলুল হক মান্না। তাঁর সাফল্য প্রমাণ করে, মেধা, পরিশ্রম আর মায়ের দোয়া থাকলে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকেই নিজের জায়গা তৈরি করা সম্ভব।
পরিবার ও গ্রামের মানুষের কাছে মান্না এখন গর্বের নাম। বিদেশের মাটিতে থেকেও তিনি নিজের শিকড়, নিজের মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করে যে বার্তা দিয়েছেন, তা আজকের প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর এই ছবিতে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন— “ফজলুল হক মান্না আমাদের এলাকার এক অনুপ্রেরণা”, “তরুণদের জন্য পথ দেখানো এক সাফল্যের গল্প”।
সিলেট থেকে লন্ডন পর্যন্ত এই যাত্রা শুধু একজন তরুণের ব্যক্তিগত সাফল্যের কাহিনি নয়, বরং এটি বাংলাদেশের এক সম্ভাবনাময় প্রজন্মের গল্প—যারা স্বপ্ন দেখে, পরিশ্রম করে, আর শেষ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে নিজের নাম উজ্জ্বল করে তোলে।
— হাওড় বার্তা অনলাইন ডেস্ক


সম্পাদক ও প্রকাশক : কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
সাব এডিটর : এ.এস. খালেদ, আবু তাহের

