1. admin@haworbarta.com : admin :
ভ্রমণপিপাসু ভিড় করছে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়া হাওরে- হাওড় বার্তা - Haworbarta
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
➤ নাসিরনগরে লুট হওয়া মোবাইলে হত্যার রহস্য উদঘাটন ➤ জগন্নাথপুরে নারীসহ দুই মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার ➤ হাওর নদী রক্ষা আন্দোলন মধ্যনগরের নেতৃত্বে হিল্লোল-বিদ্যা মিয়া ➤ মিরপুরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম এ আজিজের গণসংযোগ ও মতবিনিময় ➤ পূণরায় নির্বাচিত গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এ লিমন ➤ শান্তিগঞ্জের নোয়াখালী বাজারে আনছার উদ্দিনের মতবিনিময় ➤ ধর্মপাশায় হাওর-নদী রক্ষা আন্দোলনের দায়িত্বে কুতুব-ইমাম ➤ নাসিরনগরে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে ভলাকুটের পাঁচ শিক্ষার্থী ➤ শান্তিগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন ➤ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সুনামগঞ্জে মতবিনিময়

ভ্রমণপিপাসু ভিড় করছে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়া হাওরে- হাওড় বার্তা

তানভীর আহমেদ তালুকদার
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়া হাওর, ছবি: তানভীর আহমেদ

•হাওড় বার্তা:

‘সম্পদ, সম্ভাবনা আর অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর। আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ টাঙ্গুয়ার হাওর। বর্ষায় হাওরের চারদিকে পানির থৈ থৈ শব্দে আকর্ষিত করে পর্যটকদের। হাওরের একপাশে রয়েছে পাহাড়, অন্যদিকে হাওরের বুকে দাড়িয়ে রয়েছে সবুজের সমারোহ হিজল-করছ গাছ। হিজল-করছ গাছ গুলো ছড়িয়ে পড়েছে টাঙ্গুয়া হাওরে। আর এই গাছ গুলো কখনো কখনো পর্যটক দের মন কাড়ছে আবার গাছ গুলো দেখে যেন প্রকৃতির প্রেমেও পড়েন। টাঙ্গুয়া হাওরের জল জ্যোস্নার অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিনিয়ত প্রকৃতি প্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের মিলন মেলায় পরিণত হচ্ছে।’

‘টাঙ্গুয়া হাওর’ সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায় অবস্থিত। এ দুটি উপজেলার চার ইউনিয়নের ১৮ মৌজা’র নেয় টাঙ্গুয়া হাওরের আয়তন ধারিয়াছে প্রায় ১২ হাজার ৬৫৫ হেক্টর। হাওরে রয়েছে ছোট বড় ১০৯ বিল। তবে প্রধান বিল ৫৪টি। এছাড়াও টাঙ্গুয়া হাওরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য খাল, বিল ও নালা। আর এসব খাল, বিল, নালা সব কিছু বর্ষায় মিলিত হয়ে সমুদ্রের নেয় পরিণত হয়। বর্ষাকালে টাঙ্গুয়া হাওরের উপর নির্ভরশীল হাওর পারের অসংখ্য মানুষ।’

‘টাঙ্গুয়ার হাওরকে বলা হয় থাকে দেশি মাছের আধার বা ‘মাদার ফিশারিজ’। প্রাকৃতিক বন, অতিতি ও দেশি পাখির নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবেও পরিচিত এ হাওর। আবার এটি দেশি মাছের অন্যতম প্রজননক্ষেত্র। হাওরে প্রতিবছর শীত মৌসুমে দেখা মিলে দেশি ও অতিতি লাখও পাখির। টাঙ্গুয়া হাওর সর্বশেষ গণনা ২০১৬ সালে অনুযায়ী এ হাওরে ৯১ হাজার ২৩৬ পরিযায়ী পাখি এসেছে। হাওরে মাছের মজুত আছে ছয় হাজার ৭০১ মেট্রিক টন। বিলুপ্ত প্রায় মাছের মধ্যে আছে চিতল, মহাশোল, নানিদ, সরপুঁটি, বাগাড় ও রিটা। বেশি পাওয়া যায় রুই, গইন্যা, কাতলা, কালবাউশ, শোল, গজার, টাকি, মেনি, বোয়াল ট্যাংরা ইত্যাদি।’

‘প্রকৃতি প্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের আগমনে চাঞ্চল্য হয়ে উঠে টাঙ্গুয়া হাওর। হাওরে প্রতিনিয়ত ইঞ্জিল চালিত ছোট-বড় নৌকা, স্পীড বোর্ড দিয়ে ভ্রমণে আসে পর্যটক। টাঙ্গুয়া হাওরে পর্যটকরা এসে মিলিত হয় ‘ওয়াচ টাওয়ারে’। পর্যটকরা ওয়াচ টাওয়ারে এসে মিলিত হয়ে প্রকৃতির ছবি কিংবা ব্যক্তির ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। হাওরে ছোট-ছোট নৌকার মধ্যে রয়েছে চা, পান, বিস্কুট, ঝাঁলমুড়ি, কিংবা লাইফ জ্যাকেট ইত্যাদি পণ্যের দোকান। আর এসব দোকানে পর্যটকদের নিমন্ত্রণ করেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। হাওরে পর্যটক দের আগমনে খুশি হন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাদের খুশির পেছনে রয়েছে পরিবারের তিন বেলার আহার। এসব কিছু মিলিয়ে ব্যাস্ত সময় পাড় করেন হাওরবাসী।’

 

‘জেলা শহর সুুনামগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক গালিব ও সাঈদ আল ফুয়াদ বলেন, টাঙ্গুয়া হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে আমরা আনন্দিত। যেদিকে দু’চোঁখ যায় শুধু পানি, গাছ, পাহাড় দেখা যায়। শহরে এসব কিছুর দেখা মিলে না বলেই টাঙ্গুয়া হাওরে চলে এসেছি।’

 

‘সিলেট থেকে আসা পর্যটক নাঈম আহমেদ বলেন, প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টাঙ্গুয়া হাওর লিখে সার্চ করলেই সৌন্দর্যময় বিভিন্ন ছবির দেখা মিলে। আর এসব প্রাকৃতিক ছবি বাস্তবে দেখতে ছুটে এসেছি হাওরে। প্রাকৃতিক দৃশ্য গুলো নিজের চোঁখে দেখে আমি খুবই আনন্দিত।’

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8a95b7aab382120484ca