শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই -হাওড় বার্তাপান্ডারগাঁও ইউনিয়ন তালামীযের সভাপতি মাহদি হাসান রাজন, সম্পাদক হাবিবুর রহমান নির্বাচিত-হাওড় বার্তা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় তাহিরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা-হাওড় বার্তাতালা প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলামের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত-হাওড় বার্তাছাতকে নামাজি শিশু-কিশোরদের বাইসাইকেল উপহার। হাওড় বার্তারাজস্থলীতে কঠোর লকডাউনে সড়কে অবস্থান সেনাবাহিনীর -হাওড় বার্তা আজ বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা : মারমা ভাষায় ওয়াছো’তালায় ভালোবাসার মঞ্চের আয়োজনে কুরবানির মাংস বিতরন-হাওড় বার্তা ছাতকে KESWI-20 সংগঠনের পুনঃকমিটি গঠন। হাওড় বার্তাহাওড় বার্তা পত্রিকার সম্পাদক কাউছার উদ্দিন সুমনের ঈদ শুভেচ্ছা, হাওড় বার্তা

বিশ্বনাথে ওলকচু চাষ করে লাভবান হওয়ার সপ্ন আপ্তাব আলীর-হাওড় বার্তা

মোঃ আবুল কাশেম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:: ওলকচু চাষ করে লাভবান হওয়ার সপ্ন দেখছেন সিলেটের বিশ্বনাথের আপ্তাব আলী। সে উপজেলার কৃষিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ওলকচু’র চাষাবাদ। উপজেলায় প্রথমবারের মতো উচ্চফলনশীল এ সবজি চাষ করেছেন আফতাব আলীর নামের এক কৃষক।

স্থানীয়ভাবে অনেকটা অপরিচিত এ সবজি থেকে দ্বিগুণ মুনাফার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

সরেজমিনে অলংকারী ইউনিয়নের টেংরা গ্রামে তার বাগানে গিয়ে দেখা যায়, ২০ শতক উঁচু জায়গার উপর ওলকচু চাষ করেছেন তিনি।

বাগানে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে, বেড়ে উঠছে সারি সারি সবুজ ওলগাছ। কয়েকটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পাতাগুলোকে দু’দিকে সাজিয়েছে গাছগুলো। এছাড়াও পাশাপাশি পৃথক পৃথক জায়গায় তিনি চাষ করেছেন মাল্টা-কমলাও। এসময় গাছের পরিচর্যা করছিলেন কৃষক আফতাব আলী।

তিনি জানান, স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নতুন এ সবজি ‘ওলকচুর প্রদর্শনী’ আনেন তিনি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা নিয়ে গেল এপ্রিল মাসে ২০ শতক জায়গায় চাষ করেন ওল। নাটোর থেকে ২৮ হাজার টাকায় বারি ওলকচু-১ জাতের ৭ মণ বীজ সংগ্রহ করে রোপণ করেন জমিতে। রোপণের দেড় মাসেই গজিয়ে ওঠে গাছ।

অল্পদিনেই পূর্ণতা পায় বাগান। সবমিলিয়ে এ প্রকল্পে খরচ হয় প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। প্রত্যেক গাছের শেকড়ে মাটির নিচে সাধারণত ২০ কেজি ওজনের ওলকচু’র গুঁড়িকন্দ জন্মে। আগামী অক্টোবর মাসে ফসল উত্তোলন করবেন তিনি। প্রকৃতি সদয় থাকলে এ জমি থেকে পাওয়া যাবে ২০০-২৫০ মণ ওল।

সে হিসাবে খরচ বাদে ৮০-৯০ হাজার টাকা মুুনাফা করার স্বপ্ন রয়েছে তার।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মনোজ কান্তি দেবনাথ সাংবাদিকদের বলেন, সব অঞ্চলেই উঁচু জমিতে ওলকচু চাষ করা যায়। অল্প ও পরিত্যক্ত জমিতে ওল চাষ করে লাভবান হওয়া যায়। ওল চাষে চাষীদের সবধরণের পরামর্শ ও উৎসাহ দিচ্ছি আমরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281