সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সুসাসের উদ্যোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালন।আল-ফজল ছাত্র সংসদের নবায়ন কমিটি গঠন: ভিপি আদনান, জিএস জাবের। ছাতকে রেমিট্যান্স যুদ্ধা জসিম উদ্দিন’র অর্থায়নে জালালাবাদ স্কুলে সিলিং ফ্যান প্রদান চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুল ইসলাম জুয়েলকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদছাতকে প্রেমের টানে প্রেমিকার আত্মহত্যা।সুনামগঞ্জে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে ২৮৫ কৃষি উদ্যোক্তা পেলেন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ।ইতালির মদেনায় বৈশাখী উৎসব উদযাপন। যারা নৌকার বিরোধীতা করে তাদের প্রতি সতর্ক থাকবেন : পলিন।শান্তিগঞ্জে সাদাত মান্নান অভি’র প্রচারণা সভা।নাসিরনগরে আফ্রিকান মাগুর ও জাটকা জব্দ করে মাদ্রাসায় বিতরণ।

বিশ্বনাথে ওলকচু চাষ করে লাভবান হওয়ার সপ্ন আপ্তাব আলীর-হাওড় বার্তা

মোঃ আবুল কাশেম
  • সংবাদ প্রকাশ রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ৮২৮ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:: ওলকচু চাষ করে লাভবান হওয়ার সপ্ন দেখছেন সিলেটের বিশ্বনাথের আপ্তাব আলী। সে উপজেলার কৃষিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ওলকচু’র চাষাবাদ। উপজেলায় প্রথমবারের মতো উচ্চফলনশীল এ সবজি চাষ করেছেন আফতাব আলীর নামের এক কৃষক।

স্থানীয়ভাবে অনেকটা অপরিচিত এ সবজি থেকে দ্বিগুণ মুনাফার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

সরেজমিনে অলংকারী ইউনিয়নের টেংরা গ্রামে তার বাগানে গিয়ে দেখা যায়, ২০ শতক উঁচু জায়গার উপর ওলকচু চাষ করেছেন তিনি।

বাগানে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে, বেড়ে উঠছে সারি সারি সবুজ ওলগাছ। কয়েকটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পাতাগুলোকে দু’দিকে সাজিয়েছে গাছগুলো। এছাড়াও পাশাপাশি পৃথক পৃথক জায়গায় তিনি চাষ করেছেন মাল্টা-কমলাও। এসময় গাছের পরিচর্যা করছিলেন কৃষক আফতাব আলী।

তিনি জানান, স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নতুন এ সবজি ‘ওলকচুর প্রদর্শনী’ আনেন তিনি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা নিয়ে গেল এপ্রিল মাসে ২০ শতক জায়গায় চাষ করেন ওল। নাটোর থেকে ২৮ হাজার টাকায় বারি ওলকচু-১ জাতের ৭ মণ বীজ সংগ্রহ করে রোপণ করেন জমিতে। রোপণের দেড় মাসেই গজিয়ে ওঠে গাছ।

অল্পদিনেই পূর্ণতা পায় বাগান। সবমিলিয়ে এ প্রকল্পে খরচ হয় প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। প্রত্যেক গাছের শেকড়ে মাটির নিচে সাধারণত ২০ কেজি ওজনের ওলকচু’র গুঁড়িকন্দ জন্মে। আগামী অক্টোবর মাসে ফসল উত্তোলন করবেন তিনি। প্রকৃতি সদয় থাকলে এ জমি থেকে পাওয়া যাবে ২০০-২৫০ মণ ওল।

সে হিসাবে খরচ বাদে ৮০-৯০ হাজার টাকা মুুনাফা করার স্বপ্ন রয়েছে তার।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মনোজ কান্তি দেবনাথ সাংবাদিকদের বলেন, সব অঞ্চলেই উঁচু জমিতে ওলকচু চাষ করা যায়। অল্প ও পরিত্যক্ত জমিতে ওল চাষ করে লাভবান হওয়া যায়। ওল চাষে চাষীদের সবধরণের পরামর্শ ও উৎসাহ দিচ্ছি আমরা।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা। © All rights reserved © 2018-2024 Haworbarta.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281