বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোমা–লাজিও ম্যাচে দুর্দান্ত দিবালা, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ফেরানোর দাবি আরও জোরালোজৈন্তাপুরে সংবাদকর্মীকে পথরোধ করে দুর্ধর্ষ ছিনতাই: অস্ত্রের মুখে নগদ অর্থ লুট!ঈদগাহ-মাদ্রাসায় এমপি মিলনের ১৪ লাখ টাকার বরাদ্দ ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পলাতক আসামী গ্রেফতারলন্ডনে আবারও কাউন্সিলর নির্বাচিত সুনামগঞ্জের মেয়ে অজন্তা দেব রায়আবারও বাড়লো তেলের দামপ্রতারকদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতায় মানবাধিকার সংগঠনের জিডিজাউয়াবাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এমপি সহ অর্ধশতাধিক আহতধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে সরকারের উদ্যোগ- এমপি কামরুলসাইপ্রাস যুবদলের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইমরান, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাত, সাংগঠনিক সম্পাদক রেদ্বওয়ান

কুষ্টিয়ার করোনা পরিস্থিতির অবনতি ২৪ ঘন্টায় ২২ জনের মৃত্যু-হাওড় বার্তা

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে আরও ২২ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ১২ জন করোনায় এবং ১০ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে মারা যান তারা। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন। অন্যদিকে নতুন ২২০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত ২২০ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৮৪ জনে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। নতুন করে শনাক্ত হওয়া ২২০ জনের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের ৮৩ জন, দৌলতপুরের ৫৯ জন, কুমারখালীর ২৬ জন, ভেড়ামারার ৩৪ জন, মিরপুরের ১১ জন ও খোকসার ৭ জন রয়েছেন।

এখন পর্যন্ত এ জেলায় ৭০ হাজার ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে ৬৬ হাজার ৬৯৪ জনের। মোট শনাক্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮৮৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৯৬ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ২৭৫ জন।

বর্তমানে কুষ্টিয়ায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৩১৩ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২৭৯ জন ও হোম আইসোলেশনে আছেন ৩ হাজার ৩৪ জন।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তাপস কুমার সরকার বলেন, অধিকাংশ রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার দরকার হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে কাড়াকাড়ি লেগে যাচ্ছে। অনেকেই ৪০ থেকে ৭০ ভাগ অক্সিজেন স্যাচুরেশন নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন। তাদের অবস্থা জটিল। তাদের কমপক্ষে এক সপ্তাহের জ্বর, ঠান্ডা ও কাশি রয়েছে। এ রকম বেশির ভাগ রোগীই আসছেন জটিল অবস্থা নিয়ে। আর অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে যাওয়ার পর যেসব রোগী আসছেন, তাদের বাঁচানো কঠিন হচ্ছে। এ জন্য আগে থেকেই চিকিৎসাসেবা নিতে হবে। মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। অসচেতনতার কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281