শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ছনোগাঁওয়ে তরুন আলেমদের সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণদারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিতপথচারী ও অসুস্থদের মাঝে টিম ছাতকের সেহরি বিতরণশান্তিগঞ্জে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ঈদ উপহার বিতরণ 

বিশ্বনাথে পোকা নিধনে ‘আলোক ফাঁদ’

মোঃ আবুল কাশেম
  • সংবাদ প্রকাশ : শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৯৮ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

সিলেটের বিশ্বনাথে পোকা-মাকড় নিধনের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ‘আলোক ফাঁদ’র (লাইট ট্র্যাপ) ব্যবহার বেড়েছে উপজেলায়। ফসলি জমি পোকামুক্ত করতে কীটনাশকের বিকল্প এ প্রদ্ধতি কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ফসলের মাঠে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি যাচাই ও নিয়ন্ত্রণ করছেন তারা। স্বল্প খরচের এ কৌশল ব্যবহারে একদিকে আর্থিক ভাবে লাভমান হচ্ছেন কৃষককূল, অন্যদিকে ক্ষতিকর কীটনাশক থেকে রক্ষা পাচ্ছে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার ৮ ইউনিয়নে চলতি বছরে আমন ধানের আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৫ হেক্টর। গত বছরও ছিল একই লক্ষমাত্রা।

এবার ফসলি ক্ষেতের ক্ষতিকারক পোকা নিধনে উপজেলার ২৪টি ব্লকের সব ক’টিতেই ১০টি করে ২৪০ ‘আলোক ফাঁদ’র বসানো হয়েছে। সপ্তাহে একদিন (প্রতি বুধবার) এর মাধ্যমে পোনা দমন করছেন কৃষকরা। পাশাপাশি ৮০ শতাংশ জমিতে পার্চিং পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, আমন ধানের আবাদি জমির ফাঁকা স্থানে আলোক ফাঁদ তৈরি করেছেন কৃষকরা। বাঁশের তিনটি খুঁটি ত্রিকোনাকার করে মাটিতে পুঁতে, খুঁটির মাথায় ঝুলিয়ে রাখা বৈদ্যুতিক বাল্ব। এর নীচে রাখা পাত্র।

এতে কেউ রেখেছেন ডিটারজেন্ট মিশ্রিত কেউবা কেরোসিন মিশ্রিত পানি। অনেকে আবার হারিকেন ও সৌর বিদ্যুতের বাতি জ্বালিয়ে ফাঁদ তৈরি করেছেন।

সন্ধ্যা নামলেই ‘আলোক ফাঁদ’র আলোয় আলোকিত হয় ক্ষেতেই আইল। তখন জ্বলমলে আলোয় আকৃষ্ট হয়ে, পোকা-মাকড় উড়ে এসে পাত্রে রাখা পানিতে পড়ে মারা যায়। এছাড়াও একাধিক কৃষকের ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে দেখা যায়।

গাছের ডাল ও বাঁশের কঞ্চি ক্ষেতে পুঁতে রেখেছেন তারা। এগুলোতে পাখিরা বসে সাবাড় করবে, ক্ষেতের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড়।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষক জাবের আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, আলোক ফাঁদ ব্যবহারে, স্বল্প খরচে আমরা ফসলের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় দমন করতে পারছি। এতে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি ও আর্থিক ভাবে সাশ্রয় হচ্ছে আমাদের।

এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের বলেন, ধানের জমিতে ক্ষতিকারক পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদের বিকল্প নেই।

এর মাধ্যমে জমিতে কী কী ক্ষতিকর ও উপকারি পোকা-মাকড় রয়েছে তা শনাক্ত করে ক্ষতিকর পোকা নিধনে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656