রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সুসাসের উদ্যোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালন।আল-ফজল ছাত্র সংসদের নবায়ন কমিটি গঠন: ভিপি আদনান, জিএস জাবের। ছাতকে রেমিট্যান্স যুদ্ধা জসিম উদ্দিন’র অর্থায়নে জালালাবাদ স্কুলে সিলিং ফ্যান প্রদান চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুল ইসলাম জুয়েলকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদছাতকে প্রেমের টানে প্রেমিকার আত্মহত্যা।সুনামগঞ্জে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে ২৮৫ কৃষি উদ্যোক্তা পেলেন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ।ইতালির মদেনায় বৈশাখী উৎসব উদযাপন। যারা নৌকার বিরোধীতা করে তাদের প্রতি সতর্ক থাকবেন : পলিন।শান্তিগঞ্জে সাদাত মান্নান অভি’র প্রচারণা সভা।নাসিরনগরে আফ্রিকান মাগুর ও জাটকা জব্দ করে মাদ্রাসায় বিতরণ।

তাল শাঁসের বিক্রি বেড়েছে-হাওড় বার্তা

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১
  • ৬৫০ বার পড়া হয়েছে

শাহেদ হোছাইন মুবিন, উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার দারোগা বাজার, কোট বাজার,মরিচ্যা বাজার, সোনার পাড়া বাজার, কুতুপালং বাজার, বালুখালি বাজার, থ্যাইংখালি বাজার, পালংখালী বাজার গুলোর মোড়ে মোড়ে হরদমে বিক্রি হচ্ছে তালের শাঁস। আবার কোথাও কোথাও ভ্যানযোগে পাড়া-মহল্লাতেও ঘুরে ঘুরে তাল শাঁস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে।

গত ২ দিন ধরে বৃষ্টির কোনো দেখা নেই।
ফলে প্রচণ্ড তাপদাহে দুর্বিষহ হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন। আর এর মাঝেই একটু স্বস্তি পেতে সৌখিন ক্রেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে মধু মাসের ফল তালের কদর বেড়েছে।

উখিয়ার পালংখালী আনজুমান পাড়া গ্রামের তাল শাঁস বিক্রেতা কবির জানান, স্থানীয়ভাবে এই তালকে পানিতালও বলা হয়। প্রতিবছর মধু মাসে উখিয়া সহ আশপাশের উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে পাইকারী দামে তাল শাঁস ক্রয় করে এনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে থাকেন।

সেক্ষেত্রে গাছ থেকে পাড়া এবং বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজার থেকে আনা পর্যন্ত সব খরচই তাকে গুনতে হয়। আর গাছ মালিক তো তাল কেটে নামানোর আগেই টাকা পেয়ে যান।

তাল শাঁস ক্রেতা বাপ্পি বলেন, ফলন কমের কারণে কিছুটা সংকটও রয়েছে তালের। তবে তালের শাঁসের দাম বেশি ।

আর ক্রেতারাও বলছেন, গত বছরের থেকে এবারে তাল শাঁসের দাম অনেকটাই বেশি। তারপরও মৌসুমি ও সুস্বাদু ফল হওয়ায় এর প্রতি আগ্রহের কমতি নেই তাদের।

বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম ও আজাদ রহমান বলেন, তাল শাঁসের সংকটের কিছুটা চড়া মূল্যে এ মৌসুমী ফল বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজার এলাকায় তালের প্রতিটি শাঁস (যেগুলোকে স্থানীয়ভাবে চোখ বলা হয়) ৫-১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে একটি তিনচোখের পানিতাল ১৫-২৫ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। আর গ্রামাঞ্চলে বহন খরচার উপর নির্ভর করে সেটি ১০-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরম বাড়ার কারণে এখন তাল শাঁসের বিক্রি বেশ ভালো। কেউ একটা দুটা কিনছেন, আবার অনেক সৌখিন ক্রেতা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য পীর (একবোটা) হিসেবে তাল ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা। © All rights reserved © 2018-2024 Haworbarta.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281