শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জের বোরো ফসল নিয়ে উৎকণ্ঠায় কৃষক প্রধানমন্ত্রী হাওরবাসীর খোঁজ-খবর রাখছেন- রনজিত চন্দ্র সরকার এমপিসুনামগঞ্জে বই বিনিময় উৎসব অনুষ্ঠিতছাতকে মাটি ভরাট নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেপ্তার ১উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন। জগন্নাথপুরে সঙ্গীত গাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত-২,গ্রেপ্তার-১.কক্সবাজারে ব্লু-গার্ডেদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনশান্তিগঞ্জে মানব সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ছাদিকুর রহমান বাছন। জামালগঞ্জ-সাচনাবাজার নদী পারাপারে জনদূর্ভোগ নিরসনে মানববন্ধনমিষ্টি সকাল হীমেল হাওয়া: আশিক হাসান সীমান্ত। সুনামগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারেনি ২৯ হাজার ৪৫৫ শিক্ষার্থী।

বিশ্বনাথে পিতা পুত্রের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা-হাওড় বার্তা

মোঃ আবুল কাশেম
  • সংবাদ প্রকাশ শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চৌধুরীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা, বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর রোডস্থ কালিগঞ্জ বাজার এলাকার ‘মেসার্স আল-আমিন ব্রিকর্স’ এর সত্বাধিকারী ইশাদ আলী ও তার পুত্র নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিশ্বনাথ উপজেলার রগুপুর গ্রামের মদরিছ আলীর পুত্র ও ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন বিশ্বনাথ শাখার সভাপতি ফরিদ মিয়া বাদী হয়ে গত ৩০ জুন সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতে এই সিআর মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযোগটি ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় এফআইআর করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বিশ্বনাথ থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর রশীদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. খালেদ হোসেন।

তিনি জানান, প্রায় ১০ বৎসর যাবৎ ব্যবসায়িক লেনদেন থাকার সুবাদে অভিযুক্ত ইশাদ আলী ও নাজমুল ইসলামের সাথে মামলার বাদী ফরিদ মিয়া সু-সম্পর্ক ও বিশ্বাস গড়ে উঠে। তিনি ইট, কংক্রিট. বালু ও পাতরের ব্যবসায়ী হওয়ায় অভিযুক্তদের ইট বাট্রা হতে প্রতিনিয়ত ইট ক্রয় করে বিক্রি করা অবস্থায় ২০১৫ সালে তার কাছ থেকে কাচা ইট পুড়ানোর কথা বলে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা নেন। তখন কথা ছিলো- ওই টাকা ইট বাট্রায় ইট পুড়ানো কার্যক্রমের পুঁজি হিসেবে অভিযুক্তরা বিনিয়োগ করবেন এবং প্রতি বছর ফরিদ মিয়াকে নগদ টাকায় ব্যবসার সুবিধার্থে সর্ব প্রথম ইট বাট্রা হতে পাকা ইট প্রদান করিবেন। এমতাবস্থায় যদি বাদী অভিযুক্তদের সাথে তার ব্যবসা বন্ধ করে দেন সেক্ষেত্রে অভিযুক্তরা বাদীর পাওনা টাকা (সাড়ে ৭ লাখ) পরিশোধ করবেন।
শর্ত ভঙ্গ করায় গত ৮ জুন অভিযুক্তদের কাছে জামানতের পাওনা টাকা ফেরত চান বাদী ফরিদ মিয়া। তখন টাকা পরিশোধের জন্য এক সপ্তাহের সময় নেন অভিযুক্তরা। পবর্তীতের ১৬ জুন আবারও টাকা ফেরত চাইলে বাদীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন অভিযুক্তরা। তারা সরলতা ও বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা বাদীর সাথে প্রতারণ করেন। এছাড়া বাদীর ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা কর্য নেন অভিযুক্ত ইশাদ আলী ও নাজমুল ইসলাম। ওই ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন ফরিদ মিয়া। বিশ্বনাথ সি.আর মামলা নং- ১৬৮/২০২১ইং।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা। © All rights reserved © 2018-2024 Haworbarta.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281