মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি
মোঃ তহিদুল ইসলাম /আব্দুল্লাহ আল মামুন
যশোর মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জনাবা নাজমা খানম মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কে উপজেলা গরিব অসহায় দুস্ত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করে আসছে নিয়মিত প্রতিটা দিন।শুধু তাই নয় ছুটে যাই এই প্রান্ত থেকে ঐই প্রান্ত পর্যন্ত কেও মারা গেলে সব কিছু ফেলে রেখে ছুটে যাই মৃত বেক্তির বাড়িতে তাদের পরিবার কে শান্তনা দিতে।মনিরামপুর উপজেলা এমন কোনো বেক্তি নাই যে মারা গেলে খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান জনাবা নাজমা খানম সেখানে নাই।রাত দিন ছুটে যাই মৃত পরিবার কে সান্তনা দিতে।নেই কোনো ভেদাভেদ,নেই কোনো অহংকার আছে শুধু গরিব অসহায় মানুষের প্রতি ভালবাসা।নিয়মিত খোজ খবর নেই দলিয় নির্যাতিত কর্মীদেরও যেখানে নাই তার এত টুকু পরিমান রাগ অভিমান।সকল কে কাছে টেনে নিয়ে আপন করা মানুষ টাই মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান।যে খানে রাস্তা ঘাট উদ্ভোদন করে বড় নেতারা।সেখানে জনবা নাজমা খানম রাস্তা উদ্ভোদন করান একজন রিক্সা চালক,ভ্যান চালক,কৃষক কে দিয়ে।যে খানে নোংরা পোশাক দেখে প্রতিবন্ধী শিশু কে কেও ছুয়ে দেখে না সেখানে নাজমা খানম কোলে তুলে নেই।যে খানে গরিবের চিকিৎসা হয় না সেখানে নাজমা খানম সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেই।প্রয়োজনে নিজের গায়ের রক্ত পর্যন্ত দান করেন তিনি।যে খানে গরীব কৃষকের গায়ে কাঁদা মাখা পরিবেশ সেখানে নাজমা নাজমা খানম গাড়ি থামিয়ে তাদের সাতে হাসি খুশি ভাগাভাগি করে আপন করেন।এক কথায় মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরামপুর বাসির মানবতার জননী হয়ে উঠেছেন।হিন্দু,মুসলিম,বোদ্ধ,খৃষ্টান সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে তিনি একজন মানবতার জননী। এ বিষায়ে মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জনাবা নাজমা খানম কে জিগাসা করলে তিনি বলেন।আমি দেশ নেত্রী মানবতার জননী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে নৌকা নিয়ে জনগণের ভোটে জনগণের সেবক হয়েছি।জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কে ধরে রাখতে আমি জনগণের সেবক হয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের জন্য যে সব অনুদান পাঠিয়েছেন তার সাতে আমি বেক্তি গত অর্থ দিয়ে জনগণের পাসে থাকতে পেরেছি।আমি জনগণের সেবা করছি যতো দিন পৃথিবীতে থাকবো ততোদিন পর্যন্ত জনগণের সেবক হয়ে বাচতে চাই।আমি গরিবের কষ্ট কে উনুভব করতে পারি।তাদের মুখে হাসি জোটানোর চেষ্টা করি।আমি মাঝে মাঝে কিছু পরিবারের কষ্ট দেখে নিজে কেঁদে ফেলি।আমার মনিরামপুর উপজেলা হাজার হাজার পরিবার আছে তাদের পরিবারে দু বেলাই ভাত রান্না হয় না।যেমন মশিহাটী,ইউনিয়নে, হরিদাসকাটি ইউনিয়নে।যে সব এলাকা পানিতে তলিয়ে আছে।ভবদাহ এলাকা সহো,আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিটি পাঠিয়েছি ভবদাহ সংস্কারের জন্য।টি আর আর এম প্রকল্প দিয়ে খাল খননের জন্য।আপনারে জানেন ভবদাহ সংস্কারের জন্য তিনশো কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন।তৎকালিন প্রভাবশালী নেতারা হয়েছিলেন এই প্রকল্পের ঠিকাদার।সব টাকা আত্মসাৎ করেছেন তারা সেই সময় এই খাল খনন করলে আজ হাজার হেক্টর জমিতে ফসল হতো।হাজার হাজার মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারতো।হাজার হাজার শিশু ইস্কুলে পড়তে পারতো।হাজার হাজার মানুষের মুখে হাসি থাকতো।আমি সেই সব মানুষের পাসে আছি যারা সমাজে অবহেলিত।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাউছার উদ্দিন সুমন || নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ || বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: 01647-834303, বার্তা বাণিজ্যিক কার্যলয়:- জয়নগর বাজার,সুনামগঞ্জ,সিলেট। ই-মেইল:- Haworbartaofficials@gmail.com
দৈনিক হাওড় বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
