

চকরিয়া উপজেলা বদরখালীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ তদন্তে রয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ২০১৮ সালে নভেম্বর মাসে কমিটি গঠন করা হয়। ২০১৮ সাল হইতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোন মিটিং এবং আয় ব্যয় অনুমোদন না থাকার কারণে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়। ২০২০ ইং তারিখে তার উপলক্ষে তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু তদন্ত না হওয়ার কারণে পুনরায় বিগত ১৮.০৮.২০২১ইং তারিখে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্কুল পরিচালনা কমিটি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার কে তদন্ত দায়িত্ব প্রদান করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ইকরাম উল্লাহ চৌধুরী বিগত ৩০.০৯.২০২১ইং তারিখ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন অত্র প্রতিষ্ঠান। তদন্ত চলাকালীন সময়ে তদন্ত কর্মকর্তা বদরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাকিয়া ইয়াছিন কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন উপস্থিত বদরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যগণ। তদন্ত কর্মকর্তা সেই দিকে খেয়াল না করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু জাফরকে পরবর্তী মিটিং করার কথা বলে তদন্ত কাজ শেষ করেন। তারই আলোকে বিগত ০৫.১০.২০২১ ইং তারিখ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কমিটির সকল সদস্যদের নিয়ে একটি মিটিং করার নোটিশ প্রদান করেন। সেই নোটিশের আলোকে সকল কমিটি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ মিটিং কালে তিনি ৩ বছরের যাবত ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে হইতে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কোন ভাউছার আয়, ব্যয় , ব্যাংক স্টেটমেন্ট হিসাব-নিকাশ দেখাতে পারে নাই বিদায় সকল সদস্য মিটিং স্থান ত্যাগ করে চলে আসেন। উল্লেখ্য স্কুলের মাঠ ভরাট এর জন্য ৮ টন গম বরাদ্দের প্রথম কিস্তির কাজ ৫০% হয়েছে। বাকি দ্বিতীয় কিস্তির ৫০% বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রধান শিক্ষিকা জাকিয়া ইয়াছমিন। স্কুলের মাঠ ভরাট না করে সম্পূর্ণ দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাকিয়া ইয়াছিন এর বিরুদ্ধে। আরো উল্লেখ্য যে তদন্ত কর্মকর্তা ধমক দিয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যদের বলেন ৩ বছরের আয় ও ব্যয় অনুমোদন না করলে পরবর্তী কোনো অনুদান দেওয়া হবে না এই স্কুলে।
বদরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাকিয়া ইয়াছমিন এর বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইকরাম উল্লাহ চৌধুরী বলেন এই বিষয়ে আরো তদন্ত কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আবু জাফর থেকে জানতে তিনি বলেন স্কুলে ৫ অক্টোবর একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে উক্ত মিটিং-এ প্রধান শিক্ষিকা অভিযোগের বিষয়ে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায়। উপস্থিত স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যদের আগামী ১২ অক্টোবর পরবর্তী মিটিংএ উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।
অভিযুক্ত বদরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাকিয়া ইয়াছিন থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বিরুদ্ধে স্কুল পরিচালনা কমিটি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছে সেটা সত্য তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ইকরাম উল্লাহ চৌধুরীকে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিবে তখন বোঝা যাবে আমি অপরাধী নাকি স্কুল পরিচালনা কমিটি আমার বিরুদ্ধে মন গড়া অভিযোগ করেছে তখন প্রমাণিত হবে।



সম্পাদক ও প্রকাশক: কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
বিজ্ঞাপন: 01647-834303 বার্তা বাণিজ্যিক কার্যলয়:- জয়নগর বাজার,সুনামগঞ্জ,সিলেট। ই-মেইল:- Haworbartaofficials@gmail.com

