রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কাঠইর ইউনিয়নবাসীকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা মঈনুল হক মুমিনের ঈদ শুভেচ্ছালন্ডন প্রবাসী হাফিজ আখলাকুর রহমান আলমগীরের ঈদ শুভেচ্ছাছনোগাঁওয়ে তরুন আলেমদের সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণদারুল কিরাতের মাধ্যমে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে কুরআনের খেদমত: মাওলানা আব্দুল আজিজহাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি, ১০ দফা দাবিবিশ্বম্ভরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের দোয়া ও ইফতার মাহফিলজামালগঞ্জে আনসার ও ভিডিপির ঈদ উপহার বিতরণদিরাইয়ে পুলিশের নায়েক জুয়েল দাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনদ্রব্যমূল্য নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীশান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

বিশ্বনাথে এক নিরীহ বৃদ্ধের পেনশনের ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

মোঃ আবুল কাশেম
  • সংবাদ প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

 

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গুচ্ছগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্প-১’র কাজে অর্থ বিনিয়োগে লাভ দেখিয়ে এক নিরীহ বৃদ্ধের ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

তারা সুকৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে বৃদ্ধের পেনশনের ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা।

বছরের পর বছর শত চেষ্টা করে টাকা উদ্ধার করতে না পেরে অবশেষে ওই দুই জনের বিরুদ্ধে সিলেট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দিয়েছেন ভুক্তভোগী বৃদ্ধ হাজী মো. ফয়েজ উল্লাহ (৬০)। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা গ্রামের মৃত মিলফত উল্লাহর ছেলে ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সাবেক সিনিয়র স্টাফ।

মামলায় অভিযুক্ত জয়নুল হক জাহাঙ্গীর, গোলাপগঞ্জ থানার ঢাকা দক্ষিণ বারকোট গ্রামের সিরাজ মাস্টারের ছেলে ও সালেহ আহমদ, দক্ষিণ সুরমা থানার খোজারখলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন হাজী মো. ফয়েজ উল্লাহ। অবসরভাতা হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা পান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুবাধে ও মেয়ের শ্বশুড় গোলাপগঞ্জে হওয়ায় অভিযুক্ত জয়নুল হক জাহাঙ্গীর ও সালেহ আহমদের সাথে তার পরিচয় ঘটে।

একপর্যায়ে তার অবসরভাতা প্রাপ্তির খবর পেয়ে অভিযুক্তরা গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ঘন ঘন তার অসুস্থতার খোঁজ-খবর নিতে শুরু করে। তখন বিশ্বনাথের খাজান্সি ইউনিয়নের গোবিন্দনগর বিলপার গ্রামে ‘ছিন্নমূল মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই, প্রধানমন্ত্রীর পূষণী গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পে’র কাজ চলছিল।

অভিযুক্তরা প্রকল্পের কাগজাদি দেখিয়ে বৃদ্ধকে জানায়, প্রধানমন্ত্রী নিজে তাদের ১৫০টি ঘর তৈরির কন্ট্রাক দিয়েছেন। এখানে ঋণ হিসেবে টাকা বিনিয়োগ করলে মুনাফাসহ ফেরত দেয়ার লোভ দেখায়।

একপর্যায়ে ২০১৭ সালের ২৩ এপ্রিল প্রথম ধাপে ৩ লাখ টাকা দেন ফয়েজ উল্লাহ। পরে সেপ্টেম্বরের ১৭ তারিখ ২ লাখ ও নগদ আরও ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেন তিনি।

নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর টাকা চাইলে দিব-দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করতে তাকে অভিযুক্তরা। পরে পাওনা টাকা অস্বীকার করে তাকে প্রাণে হত্যার হুমকিও দেয় তারা।

অভিযোগ অস্বীকার করে সালেহ আহমদ বলেন, জয়নুল হক জাহাঙ্গীর আমার পূর্ব পরিচিত।

তার আবদারে আমার নিজস্ব মোটরসাইকেলে হাজী ফয়েজ উল্লাহ’র বাড়িতে একদিন গিয়েছিলাম। তাদের মধ্যে কি কথা-বার্তা বা লেনদেন হয়েছে তা আমার জানা নেই।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত জয়নুল হক জাহাঙ্গীর বলেন, যে অভিযোগ তিনি (ফয়েজ উল্লাহ) দিয়েছেন, সে বিষয়ে উনার সাথে আলাপ আলোচনা হয়েছে। কিছুটা টাকাও দেয়া হয়েছে। এটি সমাধানের পর্যায়ে আছে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

এ ধরণের আরও সংবাদ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত পত্রিকা নিবন্ধন নাম্বার (মফস্বল -২১১) © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২০-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-b3b0bbe71a878d4c2656