নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ
জেলার নাসিরনগর উপজেলা কমপ্লেক্স মসজিদের ইমাম মাওলানা মোখলেছুর রহমানকে মসজিদ থেকে অপসরণের দাবীতে মুসল্লীসহ এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ অভিযোগ।
জানা যায়, নাসিরনগর উপজেলা কমপ্লেক্স মসজিদের ইমাম মাওলানা মোখলেছুর রহমান নিয়োগ হওয়ার পর থেকে মুসল্লীদের সাথে দুর্ব্যবহার, নামায ভুল পড়ানো এবং মুসল্লীদের সাথে হাতাহাতির ঘটনাসহ বিভিন্ন অভিযোগের অনেক সংবাদ পূর্বেও পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর মাওলানা মোখলেছুর রহমান আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে, কোনকিছু তোয়াক্কা না করে মুসল্লীসহ জনসাধারণের উপর তার দুর্ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৩ জুন ২০২১ খ্রিঃ কমপ্লেক্স মসজিদের মুসল্লীগণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর কমপ্লেক্স মসজিদের ইমাম মাওলানা মোখলেছুর রহমানকে অপসারণের দাবীতে পুনরায় অভিযোগ প্রদান করেন। অভিযোগ প্রকাশ, নাসিরনগর উপজেলা কমপ্লেক্স মসজিদে নিয়োগ পাওয়া পর ইমামতি করার সময় নামাজ প্রায়ই ভূল পড়ান। স্থানীয় মুসল্লীরা লোকমা দিলে তিনি তাহা গ্রহণ না করে নামাজের পরে মুসল্লীদের সাথে ঝগড়া করে পরিবেশ নষ্ট করে। তিনি প্রতি মাসে ১০ হতে ২০ ওয়াক্ত নামাজ আসে না, প্রতিনিধি পাঠিয়ে নামাজ পড়ায়। এ বিষয়ে স্থানীয় মুসল্লীদের নিয়ে দুধ মিয়া মাওলানা মোখলেছুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে দুধ মিয়ার সাথে খারাপ আচরণ করেন এবংঅকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আতংক সৃষ্টি করে। ইমাম সাহেবের খারাপ আচরণে স্থানীয় বহু মুসল্লীরা কমপ্লেক্স মসজিদে নামাজ পড়া বদ্ধ করে দিয়েছে। ইমাম সাহেব মসজিদে আলোচনা করার সময়, বিভিন্ন আপত্তিকর কথাবার্তা, রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী, উস্কানীমূলক বক্তব্যসহ বিভিন্ন এলাকা হতে ধর্মপরায়ন নিরীহ লোকজনকে মসজিদ এনে সরকার বিরোধী কর্মকান্ড করে অশান্তি সৃষ্টি করার পায়তারা করছে,এবং বিগত মন্দির ভাংগা ও হেফাজতের কর্মকাণ্ড সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া হেফাজতের তান্ডবের মামলার জেল হাজতের আসামী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আব্দুর রহিম কাসেমীকে নিয়ে আধুনিক হাসপাতালের পাশে ব্যক্তিগত মাদ্রাসার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এলাকার সহজ সরল লোকদের নিকট থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং মসজিদের দানের টাকা সু-কৌশলে মাদ্রাসার নাম দিয়ে আতসাৎ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কমপ্লেক্স মসজিদের ইমাম মাওলানা মোখলেছুর রহমানকে সকল অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে অভিযোগের বিষয় এড়িয়ে যান এবং তিনি দাবী করেন আমার বিরুদ্ধে যে, অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট ।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালিমা খাতুন জানান তদন্ত কাজ চলছে, তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাউছার উদ্দিন সুমন
নির্বাহী সম্পাদক: আনিছুর রহমান পলাশ
বার্তা সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম রেদুয়ান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: নুরুল হক, শহিদ মিয়া