মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজস্থলীতে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের সাথে কাপ্তাই ৫৬ ইস্ট জোনের মত বিনিময় সভাআসন্ন ইউপি নির্বাচনের চন্দ্রঘোনা থানা উদ্যােগের গ্রাম পুলিশের সাথে আইন শৃংখলার সভা অনুষ্ঠিতরাজস্থলী তে অন্ধ বৃদ্ধ অসহায় জলিল প্রধানমন্ত্রী উপহার দেয়া ঘর মিলেনি”আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান মেম্বার পদপ্রার্থী জিয়া উদ্দিনচেয়ারম্যান প্রার্থী বক্করের বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন এক আ’লীগ নেত্রী রানীতালা-আগোলঝাড়া- জাতপুর রাস্তা বেহাল দশা মরণফাঁদে পরিণতখুরমা দক্ষিণ ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকর সিদ্দীকের গণসংযোগসম্পর্ক ঐক্য এবং ভালোবাসার আরেক নাম হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া!ছাতক পৌরসভার নামে টোল আদায় বন্ধে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক ও শ্রমিক সমিতির সভা কক্সবাজার সিটি কলেজে অনার্স ১ম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

বিশ্বনাথে দুই ভাইয়ের অবদানে পরিবারে ৭ জন শিক্ষক

মোঃ আবুল কাশেম
  • আপডেট বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে বংশানোক্রমে শিক্ষকতার জীবনে একই পরিবারের দুই ভাই এনেছেন অসাধারণ সফলতা।

নিজেদের শিক্ষকতার পাশাপাশি সুশিক্ষভ দিয়ে সন্তানদের জীবন গড়েছেন তারা।

৫ সন্তানকেও বানিয়েছেন মানুষ গড়ার কারিগর। ১২ সদস্যের পরিবারে ৭জনই শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।

যাদের অবদানে ৭জন শিক্ষক হয়েছেন তারা হলেন, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ভোগশাইল গ্রামের নরেশ চন্দ্র দে’র দুই ছেলে অমলেন্দু চন্দ্র দে ও নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু।

তাদের বাবাও ছিলেন একজন সফল শিক্ষক। বাবা অবসরে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন সরপঞ্চ হিসেবে এলাকার দায়িত্ব পালন করেছেন।

অমলেন্দু দে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বনাথ সদরের বিশ্বনাথ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন। ওই শিক্ষকের ৩ কন্যা আজ শিক্ষকতা করছেন।

তিন কন্যার একজন বড় মেয়ে শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে হয়ে বর্তমানে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, একজন চান্দশির কাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন আর অপরজনও শ্বশুড় বাড়ি গোলাপগঞ্জে শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।

তার ছোটভাই নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু উপজেলা সদরের রামসুন্দর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অবসরে আছেন।

নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টুর দুই মেয়েও শিক্ষক। তাঁর মধ্যে একজন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক অপরজন শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে করে বর্তমানে অষ্ট্রিয়া রয়েছেন।

তাঁর ছেলে মিনাল কান্তি দে সিটি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু বলেন, তাঁর বাবার আদর্শে আমাদের পরিবার আজ এমন একটি অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281