শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন

পুরাতনেই আস্থা বাজনাব বাসীর

প্রদীপ দেবনাথ
  • আপডেট মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি 

আবার এসেছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। মানুষ করতে শুরু করেছে হিসাব নিকাশ। চায়ের স্টলে ঝড় উঠছে। বাজনাবতে প্রতি মোড়ে মোড়ে, বাজারে বাজারে কে হচ্ছেন প্রার্থী, কারা হচ্ছেন প্রার্থী এমনই আলোচনা চলছে নিয়মিত। চলছে চুল-ছেঁড়া বিশ্লেষণ। বিভিন্ন জনের নাম উঠে আসছে। কে কেমন? মানুষের জন্য কে কি করবে এসব নিয়েই মূলত চলছে জল্পনা কল্পনা।  তবে অধিকাংশ মানুষ পুরাতনেই আস্থা রাখছেন। তাদের মতে বর্তমান চেয়ারম্যান খন্দকার মোখলেছুর রহমান যথেষ্ট আন্তরিক ও সৎ। অনেকেই মনে করেন যাদের নাম নতুনদের তালিকায় আসছে তাদের তুলনায় তিনি একদমই আলাদা। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমানে নাই বললেই চলে। সব সময় জনগণের পাশে ছিলেন এবং আছেন। একজন চেয়ারম্যান হিসেবে যতটুকু করা যায় তিনি এলাকার জন্য করে যাচ্ছেন। প্রত্যেকটা বরাদ্দ একদম ফেয়ারলি করেছেন।অনেক সময় সদস্যদের দেওয়া মাম এলাকার বিশ্বস্ত লোক দ্বারা যাচাই করেছেন আসলেই তালিকাভুক্ত ব্যক্তিটি ত্রাণ পাওয়ার যোগ্য কিনা? বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে রাস্তাঘাট, কালভার্ট, মাটিভরাট, বৃক্ষ রোপন, বিধবা, বয়স্ক  ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী এসব সঠিক বন্টনে তার জুড়ি  নেই। ভিজিএফ এর চাল, প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী  বিতরণে তিনি নিজে মেম্বারদের সাথে নিয়ে অসহায়, দুস্থ ও প্রকৃত দাবীদারের হাতে তুলে দেন। যারা বারবার খবর দেওয়ার পরও আসেনি তাদের বাড়িতে নিজ উদ্যোগে এসব পাঠিয়ে দেন। তাই দরিদ্র অসহায়দের নিকট তিনি ভরসার নাম। করোনা মহামারীর সময় সরকারি ত্রাণের পাশাপাশি নিজেও বহু দরিদ্র ও কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করেন। হাড়িসাংগান গ্রামের মুজিবুর রহমান অরুণ বলেন, আমরা এত ভালো চেয়ারম্যান আগে কখনও পাইনি। তাই এবারও দোয়া করি আল্লাহ্ যেন উনাকেই চেয়ারম্যান বানায়। ওনার স্বচ্ছতা, আন্তরিকতা আর জবাবদিহিতা আমাদের মুগ্ধ করে।

দক্ষিনধূরু গ্রামের শরীফা বেগম শরু বলেন, আগে কোনদিনও কিচ্ছু পাইনি। মোখলেস ভাই আয়োনে সব পাই। আমার মতো গরীব দুঃখীরা পুরান চেহারম্যান ই চাই। বাজনাবরের আব্দুল ছাত্তার খন্দকার বলেন,আমডার মতো গরীবের দিগে এই চেয়ারম্যানের নজর আছে। আমরা এই ব্যাডারেই ভোট দিমু।

এ প্রসঙ্গে বাজনাব ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান বলেন, আমাকে মহান আল্লাহতালা অনেক কিছু দিয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দূর্নীতি বা চুরি করে গত পাঁচ বছরেও কিছু নেইনি, ভবিষ্যতেও নেওয়ার ইচ্ছে নেই। জনগণের রায়ের পূর্ণ মর্যাদা আর সম্মান দেখাতে পারলেই আমি সন্তুষ্ট। আর কে কি বললো, কারা ষড়যন্ত্র করলো এসব দেখে আমি চলিনা। আমি জনগণের সেবক, সেবাই আমার ধর্ম।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ পেতে ক্লিক করুন।
দৈনিক হাওড় বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281