রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জ পূজা পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনতাহিরপুরে মাদকবিরোধী ঐক্য পরিষদের সদস্যদের ওপর হামলাবিএমএসএফ ছাতক শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত২৬ বছর শিক্ষকতা শেষে মাওলানা ফখরুলকে বিদায় সংবর্ধনাদালালের ফাঁদে সুনামগঞ্জের যুবক ভারতে আটকটাঙ্গুয়ার হাওরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যুজগন্নাথপুরে ইউপি সদস্যকে জড়িয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধনছাতকের তরুণ সাংবাদিক তাজিদুল ইসলামের মার্স্টার্সে অবিশ্বাস্য সাফল্য দোয়ারাবাজারে খাস জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছেগোলাপগঞ্জ পৌরসভার নাকের ডগায় ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী

বাজার থেকে সয়াবিন তেল উধাও! 

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ বুধবার, ১১ মে, ২০২২
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বোতলজাত ভোজ্য (সয়াবিন) তেলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আর খোলা বাজারে তেল বিক্রি হচ্ছে ২’শ ১০ থেকে ২০ টাকা দরে। যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি।

ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় এ তেল কিনতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে অনেক দোকানীরাই বলছেন বোতলজাত তেলের কৌটা ভেঙ্গে বের করে তা খোলা তেল হিসেবে বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। আর এতেই বাজারে বোতলজাত তেলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

বুধবার এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক দোকান ঘুরে বোতল ভর্তি মোড়ক লাগানো কোন তেল খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুই একটা দোকানে তেল ভর্তি বোতলের দেখা মিললেও তার দাম হাকাচ্ছেন একটু বেশি। সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর শহরের শতাধিক মুদি দোকানে বোতলজাত তেলের সঙ্কট রয়েছে।

এসব দোকানীরা বলছেন, বিশেষ করে তেলের মূল্য নির্ধারণের পর বোতলজাত তেল অনেকটাই বাজার থেকে উধাউ হয়ে গেছে। নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকার এক মুদি ব্যবসায়ী জানান, বোতলজাত তেলের মোড়কে মূল্য নির্ধারণ করা রয়েছে। মূলত এই কারণে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী বোতল ভেঙ্গে খোলা তেল বিক্রি করছে অন্তত ২০ টাকা বেশি দরে। এর ফলেই বাজার থেকে বোতলজাত তেল উধাউ হয়ে গেছে।

এদিকে পৌর শহরের এতিমখানা এলাকাসহ বিভিন্ন অলিগলিতে খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ২’শ ২০ টাকা দরে। আর মাছবাজার সংলগ্ন অনেক দোকানেই খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ২’শ ১০ টাকা দরে। এদেরই একজন মুদি দোকানী শংকর দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কেনা ২’শ টাকার উপরে বিক্রি করবো কত? স্থানীয় মহাজন, রাধা কান্ত দাস জানান, গত ৫দিন ধরে তার প্রতিষ্ঠান থেকে একজন দোকানীকেও তেল দিতে পারেননি। বোতলজাত তেলের চরম সঙ্কট থাকায় তাদের মহাজনী দোকান থেকে খুচরা দোকানে পাইকারী তেল বিক্রি করতে পারছেন না। আবার মহাজনেরা তেলের সাথে চা পাতা, মসলা ধরিয়ে দেয়। এসব পণ্য না আনলে তেল দেয়না।

এদিকে ভুক্তভোগী সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স এন্ড বনষ্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন’র সচিব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে খোলা তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১’শ ৮০ টাকা। কিন্তু প্রায় প্রতিটা দোকানেই খোলা তেলের দাম রাখা হচ্ছে ২’শ টাকারও অনেক ঊর্ধ্বে। ক্রেতারা বলছেন, সমস্ত বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রি হচ্ছে কেন। আর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং কিবাং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেই বা কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না। #

 

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281