বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্বনাথে শখের বসে বাড়ির উপর ছাদ বাগানআনোয়ারা প্রেসক্লাবের নির্বাচন শুক্রবার ,বইছে উৎসবের আমেজশান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন ফখরুল ইসলাম ফাহিমধর্মপাশায় প্রার্থী বাছাই উপলক্ষে আ’লীগের বিশেষ বর্ধিত সভাতাহিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটি গঠনতাহিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হলেন আশ্রাউল জামান ইমন সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানতাহিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগতম জানিয়ে আনন্দ মিছিলবিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিলে উত্তাল তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগ- হাওড় বার্তাঢোল প্রতিক নিয়ে জাউয়াবাজার ইউপি নির্বাচনে লায়েক আহমদ হাম্বলী-হাওড় বার্তা বিশ্বনাথে প্রতারনা মামলায় ৩ আসামির জামিন না মঞ্জুর

উখিয়ায় মসজিদের টাকা আত্মসাৎ: মসজিদ কমিটির সভাপতিকে প্রাণনাশের হুমকি

হাওড় বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

উখিয়া উপজেলা কুতুপালং লম্বাশিয়া মসজিদের টাকা আত্মসাৎ দোকানপাট ভাঙচুর ও মসজিদ কমিটির সভাপতিকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সেখানকার কিছু স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের বিরুদ্ধে ।
কুতুপালং পশ্চিমপাড়া লম্বাশিয়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ হেফজখানা ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির মতোয়াল্লী ও সভাপতি আবুল কালাম। তিনি দীর্ঘ বছর ধরে এই মসজিদটি পরিচালনা করে আসছিল। আবুল কালাম একজন কয়েকটি জায়গা সম্পত্তির মালিক। তিনি জানান একসময় কিছু জায়গা দিয়ে এই মসজিদ টি নির্মাণ করেন। পাশাপাশি মসজিদের কয়েকটি দোকান করেন । এলাকাবাসীর জন্য একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠান করেছিলেন। মজিদের পাশে একটি কবরস্থান করেছিলেন।

এই সমস্ত সব কিছু আল্লাহর রাস্তায় দান করেছে বলে তিনি জানান। আবুল কালাম এই মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি কালীন ব্যাক্তিগত কারনে ৩ বছর অন্যত্র জায়গায় অবস্থান করলে অত্র সংগঠনের সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ সম্পাদকের থেকে কোন হিসাব নিকাশ নেয়নি। এই প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায় ৪৩ টি দোকান করা হয় যেন, এই প্রতিষ্ঠান যে সমস্ত টাকা-পয়সা লাগে তা দোকানের ভাড়া নিয়ে চালাতে পারে। এই মসজিদে ৯ জন বিশিষ্ট একটি কমিউনিটি গঠন করা হয়। আবুল কালামের কয়েকটি পিএফ জমি ছিল। সে সুবাদে তিনি এই জমি আল্লাহর রাস্তায় দান করেন প্রায় দেড় খানি মত। এই জমিগুলো মসজিদ ও কবরস্থান এবং দোকানের জন্য দেওয়া হয়। তিনি মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে ছিলেন।আবুল কালামের অবহেলার কারণেই তিনি সাংগঠনিক হিসেবে কোন ধরনের হিসাব নিকাশ একটানা তিন বছর নেয় নি সংগঠনের সেক্রেটারি ও ক্যাশিয়ার কাছ থেকে সে সুবাদে তারা প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আত্মসাৎ করেছিলেন। এই টাকার তিন বছর পর হিসাব চাইলেই তারা হিসাব দিতে বাধ্য নয়।

পরেও হিসাব দিলে হিসাব দিতে পারে নাই। তাদের তিনজনের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট ছিল ওই অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন অত্র সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও ক্যাশিয়ার শামসুল আলম ও আব্দুল করিম এমনটা দাবি করছে সভাপতি আবুল কালাম। পরপরই মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম নতুনভাবে উদ্যোগ নেন ।যে আগের কমিউনিটি ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ভাবে একটি কমিউনিটি গঠন করেন। তখন থেকে শুরু হয় নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে অত্র সংগঠনের সভাপতি কে বিভিন্নভাবে হত্যা ও হুমকি স্বরূপ দিয়ে আসছিল শামসুল আলম ও আব্দুল করিম। যে কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ক্যাশিয়ার, শমসুল আলম ও আব্দুল করিম, সদস্য ছিল তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করতে চাইলে ও পারে নাই। এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে থাকে। মসজিদের যে ৪৩ টি দোকান ছিল ১ টি রেখে সব আর আর আর সি অফিস কর্তৃপক্ষের রোহিঙ্গাদের জন্য লাগবে বলে ওই জায়গাটি সব দোকান গুলি ভেঙ্গে দেওয়া হয় এবং উচ্ছেদ ও করে দেয়। এ সমস্ত পেছনে জড়িত ছিল শামসুল আলম ও আব্দুল করিম। কুতুপালং লম্বাশিয়া মসজিদ মাদ্রাসার জন্য উক্ত এলাকার সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকল আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন বাইতুর রহমান জামে মসজিদ কুতুপালং লম্বাশিয়া সভাপতি আবুল কালাম

সাম্প্রতিক গেল কয়েকদিন আগে রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহ নিহত হয় তাকে কুতুপালং লম্বাশিয়া মসজিদের যে কবরস্থানটি রয়েছে ওই কবরস্থানে রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহ কে দাফন করা হয়। এই দাফন কে কেন্দ্র করে অত্র সংগঠনের সভাপতি আবুল কালামকে মুহিব উল্লাহর বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত বলে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। ঐদিন মুহিব উল্লাহ নিহত হওয়া ও দাফন করার সময় অত্র সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম ছিল না বলে দাবি করেন। এখন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে আছে সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম তিনি বাঁচার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি সকল সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি করেন যে, এই সমস্ত সন্ত্রাসী ও দখলবাজদের হয়রানি থেকে তিনি মুক্তি পায়। মসজিদের যে টাকা আত্মসাতের বিষয় নিয়ে এবং মসজিদের যে দোকান গুলি আরআরসি অফিস কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ করা হয়েছে এই বিষয় নিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবর কয়েকটি আবেদন করেন। এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আবেদন করেন । আবেদনের পরপরই উখিয়া থানা আপোষ নামা হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ নামায় ফলে শান্তিতে বসবাস করে আসছিল কিন্তু বিবাদীগণরা সভাপতি আবুল কালামকে শান্তি মতে থাকতে দেয় না ও তাকে হত্যা ও উদ্দেশ্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে। এ সমস্ত ষড়যন্ত্র ও অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য সকল প্রশাসনের ধারে ধারে গিয়ে সহযোগিতা চাই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281