রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাটাই ঐক্যবদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা প্রদানবিশ্বনাথে নারী নির্যাতন মামলার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন৯ লাখ টাকার ইয়াবাসহ, ২যুবক গ্রেফতারকুমারখালীতে উপজেলা বিএনপির ‘অবৈধ’ আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলননাসিরনগরে বাংলাদেশ যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি’র জন্মদিন পালিতখুলনা রিপোর্টার্স ক্লাবের নতুন কমিটি গঠনপঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যশোর সদর ও কেশবপুরে নৌকার মাঝি হলেন যারাশান্তিগঞ্জ উপজেলার সরদপুর ব্রীজের পশ্চিম পাড় ধসে হুমকির মুখে পড়েছে স্বাভাবিক যান চলাচল।শহীদ জসিম উদ্দিন স্মৃতিসংসদ’ এর উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও শোকসভাকুষ্টিয়া জাতীয় মহিলা শ্রমিক লীগের বিজয় মিউজিক অন দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডিমলায় তিস্তা চর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার

হাওড় বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি।

পূর্ব সর্তকতা জারি করা ছাড়াই হঠাৎ তিস্তার দু’কুল প্লাবিত। কার্তিকের শুষ্ক মৌসুমে ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে আকাশের ভারী বৃষ্টিতে তিস্তায় পানি হুহু করে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে দেখা দিয়েছে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা।

এদিকে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে পশ্চিম ছাতনাই, পূর্ব ছাতনাই, খগা খড়িবাড়ী, টেপা খড়িবাড়ী, ঝুনাগাছ চাপানী, খালিশা চাপানী ও আংশিক গয়াবাড়ী ইউনিয়নে হাজার হাজার একর ধান ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে এবং বাঁধ ভেঙ্গে রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার (২০ অক্টোবর ) ভোর থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে তিস্তারাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় ঘরবাড়ি ছেড়ে পরিবার গুলো উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। কার্তিক মাসের শুষ্ক মৌসুমে হঠাৎ এমন বন্যা দেখেনি তিস্তাপারের চরবাসী। গতরাত থেকে বুঝে উঠার আগে ঘরবাড়ীগুলো হুহু করে পানি প্রবেশ করলে আতঙ্ক বিরাজ করে। বিকালে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫৩ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার। যা বিপদ সীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যারাজ রক্ষায় ৪৪টি গেট খুলে দেয়া হয়েছে। গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে তিস্তা শুকিয়ে জেগে উঠেছিল চর। হঠাৎ তিস্তার পানিতে সব ডুবে গিয়ে তিস্তা ফিরে পেয়েছে নতুন যৌবন।

এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আশফাউদৌলা প্রিন্স তিস্তা নদী ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে এই পরিস্থিতিতে ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে তারপরও পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। তিস্তা এলাকার মানুষদের লাল সংকেত জারি করা হয়েছে এবং নিরাপদে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী বন্যা এলাকা পরিদর্শন শেষে দূরগত মানুষদের জন্য ৪০ মেঃ টন চাউল ও ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান বলেন- নদীভাঙ্গা মানুষের জন্য শুকনো খাবার সহ গৃহহীন মানুষদের জন্য উচুঁ স্থানে তাবু টাঙ্গিয়া থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281