1. admin@haworbarta.com : admin :
তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর জালিয়াতি ও ক্লিনিকের নামে কসাইখানা,,হাওড় বার্তা - Haworbarta
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
➤ পূণরায় নির্বাচিত গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এ লিমন ➤ শান্তিগঞ্জের নোয়াখালী বাজারে আনছার উদ্দিনের মতবিনিময় ➤ ধর্মপাশায় হাওর-নদী রক্ষা আন্দোলনের দায়িত্বে কুতুব-ইমাম ➤ নাসিরনগরে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে ভলাকুটের পাঁচ শিক্ষার্থী ➤ শান্তিগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন ➤ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সুনামগঞ্জে মতবিনিময় ➤ জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ ও ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা ➤ দক্ষিণ খুরমায় জনসেবার অঙ্গীকার আব্দুল বাসিতের ➤ ছাতকে জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শতাধিক ফল ও বনজ চারা রোপণ ➤ জগন্নাথপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর জালিয়াতি ও ক্লিনিকের নামে কসাইখানা,,হাওড় বার্তা

বি এম বাবলুর রহমান
  • প্রকাশ শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি

মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অসুস্থতা আর এই অসুস্থতা সকলে দ্বরাস্তহয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কিন্তু অদ্ভুত এই চিকিৎসালয়,
এখানে চিকিৎসা সেবার নামে যেন এক কসাই খানা,ক্লিনিকটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নানা অনিয়ম ও অভিযোগ থাকলেও কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় মামলা চলছে তালা সার্জিক্যাল ক্নিনিক ও তার অবৈধ কার্যক্রম। সাম্প্রতিক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাজিব সরদারের স্বাক্ষর জ্বাল করে আল্ট্রাসনো রিপোর্ট তৈরী করেছেন কথিত ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়,ডুমুরিয়া উপজেলার দক্ষিণ আরশনগর গ্রামের হাচিম আলী জোয়াদ্দারের কন্যা মোছা হালিমা খাতুন(৩৮) ২০২০ সালের ১ই মার্চ তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে গর্ভজাত সন্তানের অবস্থা দেখার জন্য একটি আল্ট্রাসনো করান।
উক্ত আল্ট্রাসনো রিপোর্টে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাজিব সরদার এর স্বাক্ষর দেখানো হয়। অতপর একই দিনে হালিমার গর্ভের সন্তান অবৈধ ভাবে গর্ভপাত করান কথিত ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়।এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে হালিমা বেগম বাদী হয়ে সন্তান নষ্টের কারন দেখিয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন তার স্বামী ও দেবরে সহ আত্নীয় স্বজনের বিরুদ্ধে।মামলাটি তদন্তের জন্য তালা হাসপাতালে উপর নির্দেশ প্রদান করেন। যাহার প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তালা ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্তে রিপোর্টে প্রতিয়মান হয় যে আল্ট্রাসনো রিপোর্টের স্বাক্ষরটি ডা. রাজিব সরদারের নহে। এবং আলাদা একটি পত্রে ডা. রাজিব সরদার আদালতের কাছে জবানবন্দী প্রদান করেন।
তাতে উল্লেখ্য করেন, আমি ডা. রাজিব সরদার,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা। গত ইং ১.৩.২০ তারিখে হালিমা খাতুন(৩৮) নামে তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক যে আল্ট্রাসনো রিপোর্ট এ আমার স্বাক্ষর সংবলিত তথ্য দিয়েছেন। তাহা আমার করা নহে এবং স্বাক্ষরটি আমার নহে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক সরকারী নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই অনিয়ম আর দূর্ণীতির মধ্য দিয়ে চলছে ।কোন সার্জন তো নেই, নেই আবাসিক মেডিকেল অফিসার, নেই ডিপ্লোমাধারী নার্স,নেই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ওয়ার্ডবয়। এমনই আজব প্রতারনার ফাঁদ পেতেছে তালার আলোচিত এই ক্লিনিক। অনাড়ী হাতুড়ী ডাক্তারের ভূল চিকিৎসায় প্রসূতি মা সহ একের পর এক রোগীর মৃত্যুতেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়ছে না। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী, উপজেলা পর্যায় একটি ক্লিনিকে ৯ টি বেড, ১ জন সার্জন, ১ জন আবাসিক মেডিকেল অফিসার, ১ জন ডিপ্লোমা সহ ৫ জন নার্স, প্রশিক্ষিত ওয়ার্ডবয় থাকার কথা থাকলেও তার বালায় নেই তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকের। একজন রোগী এলে তাকে অপারেশন টেবিলে উঠিয়ে তারপর শুরু করে বিভিন্ন নাটক। এমনি কায়দায় চলছে তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক। এদের খুটিঁর জোর কোথায়! প্রশ্ন জনমনে।
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাজিব সরদার বলেন, আমার কাছে আদালতে হতে একটি তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয় । উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনে আমি বলে দিয়েছি আল্ট্রাসনো রিপোর্টের স্বাক্ষরটি আমার নহে। এবং তদন্ত করিবার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর তিনজন কর্মকর্তা উপর দায়িত্ব দিলে তাহারও আমার স্বাক্ষর জ্বাল বলে তদন্ত রিপোর্ট এ উল্লেখ করিয়াছেন। ,,,,,,চলমান।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8a95b7aab382120484ca