1. admin@haworbarta.com : admin :
ক্রেতা না পেয়ে নদীতে চামড়া নিক্ষেপ - Haworbarta
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
➤ পূণরায় নির্বাচিত গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এ লিমন ➤ শান্তিগঞ্জের নোয়াখালী বাজারে আনছার উদ্দিনের মতবিনিময় ➤ ধর্মপাশায় হাওর-নদী রক্ষা আন্দোলনের দায়িত্বে কুতুব-ইমাম ➤ নাসিরনগরে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে ভলাকুটের পাঁচ শিক্ষার্থী ➤ শান্তিগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন ➤ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সুনামগঞ্জে মতবিনিময় ➤ জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ ও ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা ➤ দক্ষিণ খুরমায় জনসেবার অঙ্গীকার আব্দুল বাসিতের ➤ ছাতকে জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শতাধিক ফল ও বনজ চারা রোপণ ➤ জগন্নাথপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

ক্রেতা না পেয়ে নদীতে চামড়া নিক্ষেপ

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

উপযুক্ত দাম তো দূরের কথা, চামড়া কেনার মতো কোনো পাইকারি ক্রেতা না পাওয়ায় শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন দুই মৌসুমি ব্যবসায়ী। ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের মোমারিজপুর গ্রামের কাটাখালি নদীতে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের নজরে আসে বিষয়টি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অতিরিক্ত আয়ের আশায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক গরুর চামড়া সংগ্রহ করেন মোমারিজপুর গ্রামের খুরশিদ আলম ও দিদারুল আলম। তাদের আশা ছিল পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে চামড়া বিক্রি করে কিছু লাভ করবেন। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কোনো ক্রেতা না পাওয়ায় শুক্রবার দুপুরে তারা চামড়াগুলো নদীতে ফেলে দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাতুভূঞা এলাকার একটি সেতুর ওপর থেকে কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে গরুর চামড়া নিক্ষেপ করছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হলে প্রশাসন ঘটনাস্থল ও অভিযুক্তদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।

ঘটনার খবর পেয়ে দাগনভূঞা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলম অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে পরিবেশ দূষণের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং তাদের কাছে ব্যাখ্যা চান।

এ সময় খুরশিদ আলম ও দিদারুল আলম নিজেদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তারা জানান, চরম লোকসানের কারণে হতাশ হয়ে এমন কাজ করেছেন। পরিবেশের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে তাদের ধারণা ছিল না।

খুরশিদ আলম বলেন, “না বুঝে নদীতে চামড়া ফেলেছি। এটি করা ঠিক হয়নি। ভবিষ্যতে এমন ভুল আর কখনো করব না।”

সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিদুল আলম বলেন, “অভিযুক্তরা তাদের ভুল স্বীকার করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। লোকসানের কারণেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তারা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া যেত।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, চলতি মৌসুমে কাঁচা চামড়ার বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমি ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিপণন নিয়ে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8a95b7aab382120484ca