1. admin@haworbarta.com : admin :
বিশ্বনাথে দুই ভাইয়ের অবদানে পরিবারে ৭ জন শিক্ষক - Haworbarta
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
➤ পূণরায় নির্বাচিত গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এ লিমন ➤ শান্তিগঞ্জের নোয়াখালী বাজারে আনছার উদ্দিনের মতবিনিময় ➤ ধর্মপাশায় হাওর-নদী রক্ষা আন্দোলনের দায়িত্বে কুতুব-ইমাম ➤ নাসিরনগরে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে ভলাকুটের পাঁচ শিক্ষার্থী ➤ শান্তিগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন ➤ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সুনামগঞ্জে মতবিনিময় ➤ জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ ও ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা ➤ দক্ষিণ খুরমায় জনসেবার অঙ্গীকার আব্দুল বাসিতের ➤ ছাতকে জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শতাধিক ফল ও বনজ চারা রোপণ ➤ জগন্নাথপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

বিশ্বনাথে দুই ভাইয়ের অবদানে পরিবারে ৭ জন শিক্ষক

মোঃ আবুল কাশেম
  • প্রকাশ বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে বংশানোক্রমে শিক্ষকতার জীবনে একই পরিবারের দুই ভাই এনেছেন অসাধারণ সফলতা।

নিজেদের শিক্ষকতার পাশাপাশি সুশিক্ষভ দিয়ে সন্তানদের জীবন গড়েছেন তারা।

৫ সন্তানকেও বানিয়েছেন মানুষ গড়ার কারিগর। ১২ সদস্যের পরিবারে ৭জনই শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।

যাদের অবদানে ৭জন শিক্ষক হয়েছেন তারা হলেন, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ভোগশাইল গ্রামের নরেশ চন্দ্র দে’র দুই ছেলে অমলেন্দু চন্দ্র দে ও নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু।

তাদের বাবাও ছিলেন একজন সফল শিক্ষক। বাবা অবসরে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন সরপঞ্চ হিসেবে এলাকার দায়িত্ব পালন করেছেন।

অমলেন্দু দে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বনাথ সদরের বিশ্বনাথ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন। ওই শিক্ষকের ৩ কন্যা আজ শিক্ষকতা করছেন।

তিন কন্যার একজন বড় মেয়ে শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে হয়ে বর্তমানে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, একজন চান্দশির কাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন আর অপরজনও শ্বশুড় বাড়ি গোলাপগঞ্জে শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।

তার ছোটভাই নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু উপজেলা সদরের রামসুন্দর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অবসরে আছেন।

নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টুর দুই মেয়েও শিক্ষক। তাঁর মধ্যে একজন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক অপরজন শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে করে বর্তমানে অষ্ট্রিয়া রয়েছেন।

তাঁর ছেলে মিনাল কান্তি দে সিটি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু বলেন, তাঁর বাবার আদর্শে আমাদের পরিবার আজ এমন একটি অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8a95b7aab382120484ca