1. admin@haworbarta.com : admin :
গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তির অভিযোগে সমালোচনায় আবুল কালাম আজাদ - Haworbarta
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
➤ পূণরায় নির্বাচিত গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এ লিমন ➤ শান্তিগঞ্জের নোয়াখালী বাজারে আনছার উদ্দিনের মতবিনিময় ➤ ধর্মপাশায় হাওর-নদী রক্ষা আন্দোলনের দায়িত্বে কুতুব-ইমাম ➤ নাসিরনগরে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে ভলাকুটের পাঁচ শিক্ষার্থী ➤ শান্তিগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন ➤ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সুনামগঞ্জে মতবিনিময় ➤ জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ ও ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা ➤ দক্ষিণ খুরমায় জনসেবার অঙ্গীকার আব্দুল বাসিতের ➤ ছাতকে জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শতাধিক ফল ও বনজ চারা রোপণ ➤ জগন্নাথপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তির অভিযোগে সমালোচনায় আবুল কালাম আজাদ

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের শালিকার বিল এলাকায় একটি পুরোনো ঘের পুনঃখননকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের ঘটনায় গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখপাড়া গ্রামের মৃত আকবর দফাদারের ছেলে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শালিকার বিলে দীর্ঘদিন আগে একটি মাছের ঘের নির্মাণ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘের নির্মাণের সময় জমির ভেতরের মাটি খনন না করে কেবল ভেড়ির পাশের মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে চুক্তিপত্র অনুযায়ী ঘেরটি বিলুপ্ত হওয়ার কথা থাকলেও সম্প্রতি কৃষিজমিতে পুনরায় ঘের খননের উদ্যোগ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে দৈনিক প্রজন্ম ৭১-এর সাংবাদিক শাহজান শাকিলকে জানান, সংশ্লিষ্ট ঘেরের মধ্যে তার ৪৫ শতক জমি রয়েছে। তবে এ দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকরা।

জাহিদ নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, তার নাম উল্লেখ করে আবুল কালাম আজাদ বিকৃতভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন, যা তার মানহানির শামিল। তিনি বলেন, চুক্তিপত্রে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ তিনি করেননি। বরং ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকদের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোর করে ‘নাদাবি’ স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ ঘের মালিকরা করেছিলেন।

অন্যদিকে জমির পূর্ববর্তী মালিক আব্দুল গফুর হোসেন, ইসমাইল হোসেন ও ফজলুর রহমান ভিডিও সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ঘেরের ভেতরে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই। তাদের ভাষ্যমতে, আবুল কালাম আজাদের জমি ঘেরের বাইরে অবস্থিত এবং ঘেরের অভ্যন্তরে জমি থাকার দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

স্থানীয় আরও কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলেও একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দাবি, ঘেরের মধ্যে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই। মোতালেব হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, তার তিন কাঠা জমি থাকলেও সেটি ঘেরের ভেতরে নয়। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, প্রকৃতপক্ষে তার ভাই সিদ্দিকুর রহমানের তিন কাঠা জমি রয়েছে, যা ঘেরের বাইরে অবস্থিত এবং তিনি নিজেই তা খনন করে ঘিরে রেখেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য দিয়েছেন। তাদের দাবি, এসব তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ মে ২০২৬ তারিখে একটি অনলাইন সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের পেশাগত মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য পুনরায় নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8a95b7aab382120484ca