1. admin@haworbarta.com : admin :
বিশ্বনাথে প্রতিবেশীদের হামলায় টমটম চালক নিহত  - Haworbarta
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
➤ মিরপুরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম এ আজিজের গণসংযোগ ও মতবিনিময় ➤ পূণরায় নির্বাচিত গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এ লিমন ➤ শান্তিগঞ্জের নোয়াখালী বাজারে আনছার উদ্দিনের মতবিনিময় ➤ ধর্মপাশায় হাওর-নদী রক্ষা আন্দোলনের দায়িত্বে কুতুব-ইমাম ➤ নাসিরনগরে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে ভলাকুটের পাঁচ শিক্ষার্থী ➤ শান্তিগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন ➤ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সুনামগঞ্জে মতবিনিময় ➤ জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ ও ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা ➤ দক্ষিণ খুরমায় জনসেবার অঙ্গীকার আব্দুল বাসিতের ➤ ছাতকে জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শতাধিক ফল ও বনজ চারা রোপণ

বিশ্বনাথে প্রতিবেশীদের হামলায় টমটম চালক নিহত 

মোঃ আবুল কাশেম
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতিবেশীদের হামলায় সুজন মিয়া (২৬) নামে একজন টমটম চালক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তিনি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের লহরী নোয়াগাঁও গ্রামের আসক মিয়ার ছেলে।গত রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ির কাছেই হামলার শিকার হন তিনি।সে একজন পেশায় টমটম চালক-এমন অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

আহত অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোর ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে বিশ্বনাথ ও জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার দুপুরে বিশ্বনাথের দশঘর ইউনিয়নের পশ্চিম নোয়াগাঁও গ্রামের উজির উদ্দিনের রাস্তা দিয়ে নিজেদের একটি গবাদী পশু নিয়ে ঘরে ফিরছিলেন প্রতিবেশী আসক মিয়ার মেয়ে।রাস্তা দিয়ে গবাদী পশু যাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডায় জড়ান উজির উদ্দিনের ভাতিজা সিরাজ মিয়া ও আসক মিয়া।বাকবিতন্ডায় এসে যোগ দেন উজির উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম ও আসক মিয়ার ছেলে টমটম চালক সুজন মিয়া।সুজনের আপন মামাতো ভাই আজাদ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘রবিবার দুপুরের ওই বাকবিতন্ডার সময় নুরুল ইসলাম টমটম চালক সুজনকে চড়-থাপ্পড়ও দেন।

পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজের টমটম গাড়ি গ্যারেজে নিয়ে যেতে বাড়ি থেকে বের হলে সুজনের উপর হামলা চালান নুরুল ইসলাম, তার ভাই রফিকুল ইসলাম, তাদের চাচাতো ভাই সিরাজ মিয়া ও মইনুল, একই গ্রামের মৃত মনোহর আলীর ছেলে ইকবাল, মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে আখলুছ আলী ও ইউসুফ আলীরা।

হামলায় গুরুতর আহত হলে আশংকাজনক অবস্থায় সুজনকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার ভোরে তিনি মারা যান।

অভিযুক্ত সিরাজ মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, ‘রবিবার দুপুরে আসক মিয়ার মেয়ে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় আমার খড় খেয়ে ফেলে গরুটি। এ সময় বাঁধা দিতে গেলে ক্ষুব্ধ হয়ে ছুটে আসেন আসক মিয়া।

তার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। তবে, সন্ধ্যার পর টমটম চালক সুজনের উপর হামলার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ রকম কোনো ঘটনাই ঘটেনি। সুজন আগেই থেকে অসুস্থ ছিলেন।

অসুস্থতার কারণে ওইদিন সন্ধ্যায় তিনি বমি করেছেন। তাকে স্থানীয় ডাক্তারও দেখানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে কথা হলে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থল জগন্নাথপুর উপজেলায় হওয়াতে এ বিষয়ে ওই থানা পুলিশই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জানিয়ে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্যে সুজনের লাশ সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8a95b7aab382120484ca