1. admin@haworbarta.com : admin :
সাড়ে তিন কোটি প্রতারণায় দুই ভাই কারাগারে - Haworbarta
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
➤ পূণরায় নির্বাচিত গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কে এ লিমন ➤ শান্তিগঞ্জের নোয়াখালী বাজারে আনছার উদ্দিনের মতবিনিময় ➤ ধর্মপাশায় হাওর-নদী রক্ষা আন্দোলনের দায়িত্বে কুতুব-ইমাম ➤ নাসিরনগরে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে ভলাকুটের পাঁচ শিক্ষার্থী ➤ শান্তিগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন ➤ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সুনামগঞ্জে মতবিনিময় ➤ জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ ও ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্ব নিরসনে সভা ➤ দক্ষিণ খুরমায় জনসেবার অঙ্গীকার আব্দুল বাসিতের ➤ ছাতকে জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শতাধিক ফল ও বনজ চারা রোপণ ➤ জগন্নাথপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

সাড়ে তিন কোটি প্রতারণায় দুই ভাই কারাগারে

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

এম এ কাশেম চৌধুরী : সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বহুল আলোচিত সাড়ে তিন কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত ইয়াকুব ও তার ভাই ইসমাইলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে, মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে সিআইডি গত ৮ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। অভিযুক্ত দুই ভাই জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-গোয়ালগাঁও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।

মামলাটির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি চিহ্নিত করে এর আগে সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালত অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, মামলার এক আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ইয়াকুব ও ইসমাইলের সম্পৃক্ততার বিষয় উঠে এলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করেননি।

ফৌজদারি রিভিশন মামলা নং-৮৮/২০২০-এর রায়ে ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর অতিরিক্ত দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার নিম্ন আদালতের পূর্ববর্তী আদেশ বাতিল করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ হওয়া প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার অর্থ উদ্ধার না হওয়া, ওই অর্থে কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ থাকা জমির দলিল জব্দ না করা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা সংযুক্তির বিষয়টি বিবেচনায় না নেওয়াও তদন্তের উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা।

মামলার বাদী মাওলানা ইমরান আহমদের অভিযোগ, অলৌকিকভাবে বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর সর্বশেষ শুনানিতে আদালত ইয়াকুব ও ইসমাইলের জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8a95b7aab382120484ca