শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
টাঙ্গুয়ার হাওরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যুজগন্নাথপুরে ইউপি সদস্যকে জড়িয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধনছাতকের তরুণ সাংবাদিক তাজিদুল ইসলামের মার্স্টার্সে অবিশ্বাস্য সাফল্য দোয়ারাবাজারে খাস জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছেগোলাপগঞ্জ পৌরসভার নাকের ডগায় ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারীবিদায়ী সংবর্ধনায় সিক্ত জেল সুপার মঈন উদ্দিনদীর্ঘদিনের মেঘ-বৃষ্টির পর তাহিরপুরে ঝলমলে রোদ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনেঅপপ্রচারের প্রতিবাদে সরব গোবিন্দগঞ্জ কলেজ শিক্ষকরাতাহিরপুরে জুলাই-আগস্ট স্মরণে ১১ দলের শোভাযাত্রাতারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

গোলাপগঞ্জ পৌরসভার নাকের ডগায় ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী

হাওড় বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

 

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ : সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র চৌমুহনী থেকে অল্প দূরেই প্রধান সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে একটি অঘোষিত ময়লার ভাগাড়।

গোলাপগঞ্জ জান্নাত চক্ষু হাসপাতালের পাশে ও জামেয়া রহমানিয়া হাফিজি মাদরাসার বিপরীত পাশে প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে গৃহস্থালি আবর্জনার পাশাপাশি কসাইখানার অন্যান্য বর্জ্য। এতে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র দুর্গন্ধ। দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, যানবাহনের চালক, হাসপাতালের রোগী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

ব্যস্ততম এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করেন। চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজন, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সড়কের পাশেই স্তূপ করে রাখা পচা বর্জ্য থেকে নির্গত দুর্গন্ধের কারণে অনেককে নাক চেপে চলাচল করতে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একই স্থানে ময়লা ফেলা হলেও তা নিয়মিত অপসারণ করা হয় না। ফলে বর্জ্য পচে পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি মশা,মাছি, ও অন্যান্য প্রাণীর উপদ্রবও বেড়েছে। এতে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ইমন আহমদ বলেন, “দিনের পর দিন এখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে। বিশেষ করে কসাইখানার বর্জ্য পচে এমন দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় যে কয়েক মিনিটও দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

সিএনজি অটোরিকশা চালক মো:এমদাদ হোসেন বলেন, “এটি গোলাপগঞ্জের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। যাত্রীরা প্রায়ই দুর্গন্ধ নিয়ে অভিযোগ করেন। এতে উপজেলার ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”

জামেয়া রহমানিয়া হাফিজি মাদরাসার এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে লেখাপড়া করার কথা। কিন্তু মাদরাসার সামনেই এভাবে বর্জ্য ফেলা অত্যন্ত দুঃখজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

জান্নাত চক্ষু হাসপাতালে আশা এক রোগীর স্বজন বলেন, “মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে সুস্থ হওয়ার আশায়। কিন্তু হাসপাতালের পাশেই এমন দুর্গন্ধ রোগীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে গোলাপগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ’র নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করে নি।

সামাজিক সংগঠক তামিম আহমেদ বলেন, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশেই এভাবে বর্জ্য ফেলা শুধু পরিবেশ দূষণ নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় ধরনের হুমকি। অবিলম্বে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত, কসাইখানার বর্জ্য আলাদাভাবে অপসারণ, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কঠোর নজরদারির প্রয়োজন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, জনস্বার্থে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে সড়কের পাশের এই ময়লার ভাগাড় অপসারণ করবে এবং স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।

 

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের সংবাদ
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত (মফস্বল-২১৬) কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281